পুরুষের পছন্দের তালিকায় সবচেয়ে এগিয়ে লাজুক প্রকৃতির মেয়েরা


lajuk-meyeলাজুক নারীদের বলছি, আপনি যদি লজ্জাবতী হয়ে থাকেন তবে আপনার এই গুনটিই আশেপাশের পুরুষদের কাছে আপনাকে কাঙ্ক্ষিত করে তুলতে পারে। প্রচলিত আছে, চটপটে বাকপটু নারীদের পুরুষরা বেশি পছন্দ করে। নরম স্বভাবের নারীদের পুরুষরা কম পছন্দ করে। তবে অবাক করা বিষয় হচ্ছে জীবন সঙ্গী হিসেবে বেশিরভাগ পুরুষ আসলে লাজুক মেয়েদেরই বেশি পছন্দ করে।
কারণ হিসেবে নিচের বিষয়গুলো একটু চোখ বুলিয়ে নিন:
নমনীয়তা: পুরুষ একজন নারীকে তার শান্ত এবং নমনীয় স্বভাবের জন্য বেশি পছন্দ করে। নারীর নমনীয় স্বভাব তাকে আকর্ষণীয় করে তোলে।
একজন নমনীয় স্বভাবের নারী উচ্চ স্বরে চিৎকার, গলাবাজি করেনা। ঘরের বাইরে নমনীয় স্বভাবের পরিচয় দেয় তখন তাকে অনেক বেশি কোমল করে তোলে। একজন নারীর শারীরিক অঙ্গভঙ্গি, কথা বলার ধরণ, চোখের নরম চাহনি পুরুষকে আকর্ষণ করার হাতিয়ার হতে পারে।

যে ছোট্ট কাজগুলো আপনাকে দেবে ভালো স্বাস্থ্য ও চির যৌবনের নিশ্চয়তা !


আমরা সকলেই জানি স্বাস্থ্য সব কিছুর মূলে। স্বাস্থ্যের ওপর আমাদের জীবনের প্রায় পুরো অংশটাই নির্ভরশীল। স্বাস্থ্য ঠিক তো সব ঠিক। গবেষণায় দেখা যায় যারা সুস্বাস্থ্যের অধিকারী তারা সকল দিক থেকে অন্য সকলের থেকে এগিয়ে থাকেন। স্বাস্থ্য ভালো না থাকলে মন মেজাজ ভালো থাকে না, কোনো কাজে উৎসাহ আসে না। জীবনটা কেমন যেন নিস্তেজ হয়ে আসে।
স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে তাই আমাদের চেষ্টার সীমা নেই। আমরা সকলেই সুস্বাস্থ্য কামনা করি। সকলেই চাই যতদিন জীবিত আছি ভালো এবং সুস্থ শরীরে থাকতে। তবে কেবল ভালো স্বাস্থ্য নয়, সাথে যৌবনটাও ধরে রাখা চাই। ভালো স্বাস্থ্যের সাথে অক্ষয় যৌবন, তবেই না জীবন আনন্দময়। কিন্তু নিজের যৌবন ও স্বাস্থ্যকে ঠিক রাখতে আমাদেরই সচেষ্ট হতে হবে। করতে হবে প্রয়োজনীয় কিছু কাজ। আর এতেই স্বাস্থ্য থাকবে ভালো সারাজীবন। একই সাথে অটুট থাকবে যৌবনের দিপ্তি ও সৌন্দর্য। এক কথায় অনন্ত যৌবন ধরা দেবে হাতের মুঠোয়।
ভালো খাদ্যাভ্যাস
স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে সঠিক খাদ্যাভ্যাসের বিকল্প নেই। খাবার আমাদের দেহের সকল কিছু নিয়ন্ত্রণের মূলে। খাবারের মাধ্যমে আমরা পাই দেহ পরিচালনা করার প্রয়োজনীয় এনার্জি। দেহের প্রত্যেকটি অঙ্গপ্রত্যঙ্গের সঠিক পরিচালনার জন্য প্রয়োজন ভালো খাদ্যাভ্যাস। পরিমিত পরিমাণে এবং বয়স অনুযায়ী সকল খাদ্যউপাদান প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় প্রত্যেকের থাকা উচিৎ। এতে স্বাস্থ্য থাকবে ভালো। ফাস্ট ফুড এবং বেশি ফ্যাট জাতীয় খাবার, অ্যালকোহল, ধূমপান থেকে দূরে থাকুন।
নিয়মিত ব্যায়াম
প্রতিদিন অন্তত ১৫-২০ মিনিটের ব্যায়াম আপনার দেহকে চিরকাল সুস্থ রাখার জন্য যথেষ্ট। ব্যায়ামের ফলে আমাদের দেহে রক্ত সঞ্চালনের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। এতে করে আমাদের মস্তিষ্ক, হৃদপিণ্ড, লিভার ও কিডনি সতেজ থাকে। এবং স্বাভাবিক কার্যক্রম সঠিক ভাবে করতে সহায়তা করে। যতো ব্যস্ততাই থাকুক

মা দিবস


মায়ের প্রতি সন্তানের ভালোবাসার ইতিহাস হাজার বছরের পুরোনো ইতিহাস। প্রতি বছরের মে মাসের দ্বিতীয় রবিবার পালিত হয় ‘মা দিবস’। .মনে হতে পারে, মায়ের ভালোবাসার জন্য আবার আলাদা করে একটি দিন রাখার কী দরকার? আমরা সবাই তো আমাদের মাকে প্রতিদিনই খুব ভালোবাসি। কিন্তু, শুধু মায়ের ভালোবাসার জন্য একটি আলাদা দিন থাকার মজা হল। এদিন পৃথিবীর সকল সন্তান একসঙ্গে সব মাকে শুভেচ্ছা জানাবে, উপহার দিবে। শুধু তাই না, এদিনে কিন্তু শুধু নিজের মাকে ভালোবাসলেই হবে না, সম্মান জানাতে হবে সকল মাকেই।
এই ‘মা দিবস’ পালনের চিন্তাটা কিন্তু বেশ পুরনো। এমনকি কয়েক হাজার বছর আগেও মা দিবস পালন করা হত। মিশর, রোম ও গ্রিসে মা দিবস পালন করা হত খ্রিস্টের জন্মের অনেক আগে থেকেই। তবে সে মা দিবসটা এখনকার মা দিবসের মতো ছিল না। তখনকার মা দিবস ছিল দেবতাদের মায়ের দিবস। সেদিন বিভিন্ন দেবতার মায়ের আরাধনা করা হত। আরাধনা করা হত দেবী আইসিসের কিংবা সিবিলির অথবা রিয়ার।
সত্যিকারভাবে মায়েদের জন্য দিবস পালন শুরু হয় ১৬ শতকে এসে, ইংল্যান্ডে। দিনটিকে ওরা বলত, মাদারিং ডে। এদিন সরকারি ছুটিও ছিল। মাদারিং ডে তে পরিবারের সবাই মায়ের কাছে এসে, মায়ের সঙ্গে সারাদিন কাটাত। তবে শেষতক এই দিবসটি তেমন প্রসার লাভ করেনি।
ব্রিটিশরা যে পৃথিবীর নানা অঞ্চলে উপনিবেশ স্থাপন করেছিল। এমনকি আমেরিকাও ছিল ব্রিটিশ উপনিবেশ। তখন ইংল্যান্ড থেকে দলে দলে লোকজন আমেরিকায় গিয়ে বসবাস করতে শুরু করে। আমেরিকায় আসা

আমরা কেন হাই তুলি? জেনে নিন আজব যত কারণ!


 আমরা প্রতিদিন এমন একটা কাজ করি যা কিন্তু অনেকটাই অদ্ভুত, আর এর পেছনে কারণটি কি তা কেউই সঠিক বলতে পারেন না। হ্যাঁ, এই কাজটি হলো হাই তোলা! ঠিক কী কারণে আমরা হাই তুলি? হাই তোলার ফলে আমাদের শরীরে কী উপকারটাই বা হয়? গবেষকেরা অনেক বড় বড় রোগের পেছনে লেগে আছেন, তাই হাই তোলা নিয়ে বিশদ গবেষণার ফুরসত কারোই হয়নি। কিন্তু তা সত্ত্বেও মানুষের মনে কৌতূহল আছে ঠিকই। আর হাই তোলার কার্যকারণ নিয়েও রয়েছে তত্ব।

হাই তোলা নিয়ে সবচাইতে পুরনো তত্ব সম্ভবত হিপোক্রেটিসের দেওয়া, যেখানে তিনি বলেন- হাই তোলার ফলে “ভালো” বাতাস শরীরে ঢোকে এবং “খারাপ” বাতাস বের হয়ে যায়। বর্তমানেও এমন একটা তত্ব প্রচলিত আছে, যেখানে বলা হয় হাই তোলার ফলে শরীরে অনেকটা অক্সিজেন প্রবেশ করে আমাদের শক্তি দেয় আর বের হয় যায় কার্বন ডাই অক্সাইড।

তবে গবেষণায় এই তত্ব প্রমাণিত হয়নি বরং এর বিপরীত তথ্য জানা গেছে। যেসব মানুষের অক্সিজেনের দরকার বেশি থাকে তারা আসলে অন্যদের চাইতে বেশি হাই তোলেন না। তাই হাই তোলার ব্যাপারটাকে এখনও রহস্যই বলা যায়।

সবচাইতে সাম্প্রতিক তত্ব, যার সাথে বেশিরভাগ গবেষকই সহমত পোষণ করেন, তা হলো হাই তোলার মাধ্যমে আমাদের মস্তিষ্ক ঠাণ্ডা থাকে। মস্তিষ্ক যখন কোনো কারণে গরম হয়ে যায় তখনি আমাদের হাই তুলতে ইচ্ছা হয়। আমাদের মস্তিষ্ক খুব বেশি পরিমাণে শক্তি খরচ করে। এর আকৃতি সারা শরীরের তুলনায় ছোট হলেও, তা খরচ করে বিপাকীয় শক্তির প্রায় ৪০ শতাংশও। আর মস্তিষ্ক প্রায়ই গরম হয়ে যায়, যেভাবে আমাদের কম্পিউটার বেশিক্ষণ চললে গরম হয়ে যায়। আমরা ক্লান্ত হয়ে গেলে, বোর হতে থাকলে বা অসুস্থ থাকলে গরম হয়

মায়ের যুদ্ধ লিখেছেন— শাকিব খান

আমি তখন নারায়ণগঞ্জে তোলারাম কলেজের ছাত্র। ইন্টারমিডিয়েট প্রথম বর্ষে পড়ছি। পড়াশোনায় ভালোই ছিলাম। পাশাপাশি মার্শাল আর্টস শিখছি, আধুনিক নাচ শিখছি। নায়ক হওয়ার স্বপ্ন তখনো দেখিনি। এলাকায় থার্টি ফার্স্ট নাইটে কিংবা কোনো অনুষ্ঠানে নাচ করি। তাতেই আমি মহাখুশি। মহল্লায় সবাই একটু আলাদা চোখে দেখে। আমার নিজের মধ্যে তখন হিরো হিরো একটা ভাব!
আজিজ ভাই ছিলেন আমার নাচের শিক্ষক। তিনি আবার চলচ্চিত্রে নৃত্য পরিচালনা করেন। তাঁর সঙ্গে একদিন এফডিসিতে যাই। তিনি আমাকে আবুল খায়ের বুলবুল ভাইয়ের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন। সেটা ছিল ১৯৯৮ সাল। বুলবুল ভাইয়ের সঙ্গে আমার কিছুক্ষণ কথা হয়। তিনি আমাকে একটা ছবিতে অভিনয়ের প্রস্তাব দিলেন। সব মিলিয়ে সময় লাগবে তিন মাস। তাতে পড়াশোনার তেমন কোনো ক্ষতি হবে না। কিন্তু তার আগে আমার আব্বার সঙ্গে তিনি আলোচনা করবেন। আব্বা রাজি হলে তবেই আমি ছবিতে সুযোগ পাব। আর এর জন্য আব্বাকে নিয়ে যেতে হবে এফডিসিতে।
আব্বা-আম্মা দুজনই ছিলেন সরকারি কর্মকর্তা। আব্বাকে কীভাবে বলব এই কথা! দুশ্চিন্তায় আমার তো রাতে ঘুম আসে না। আমরা দুই ভাইবোন। আমিই বড়। আম্মার সঙ্গে আমার দারুণ ভাব। যত আবদার, সব আম্মার কাছে। সাহস করে আম্মাকে পুরো ব্যাপারটি বললাম। আব্বাকে রাজি করানোর দায়িত্ব নিলেন আম্মা।
আমাদের বাসায় শুরু হলো নতুন ঘটনা। আম্মা যতই চাইছেন আমি ছবিতে অভিনয় করি, আব্বা ততই নিষেধ করছেন। কোনোভাবেই আব্বাকে রাজি করানো যাচ্ছে না। আব্বার এক কথা, আগে পড়াশোনা শেষ করুক, তারপর দেখা যাবে।
এদিকে দিন চলে যাচ্ছে। শেষ পর্যন্ত আম্মার চাপের কাছে নতি স্বীকার করেন আব্বা। এফডিসিতে এসে কথা বলেন বুলবুল ভাইয়ের সঙ্গে। বুলবুল ভাইয়ের ছবির কাজ তখন করা হয়নি। আমি প্রথম কাজ করেছি সোহানুর রহমান সোহানের অনন্ত ভালোবাসা (১৯৯৯) ছবিতে। যেহেতু আমি মার্শাল আর্ট আর আধুনিক নাচ জানি, তাই আরও কয়েকজন পরিচালক আমাকে কাজের প্রস্তাব দিলেন।
আমার তখন একটাই ভাবনা, কখন আমার ছবি মুক্তি পাবে

জেনে নিন ১০টি কৌশলে প্রতিদিন বাঁচবে আপনার সময়!


নিউজ ডেস্ক : আমাদের জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হল সময়। কথায় আছে, সময় একবার অতিবাহিত হয়ে গেলে তা আর কোনোদিন ফিরে আসে না। একটি দিন সম্পূর্ণ হয় ২৪ ঘণ্টায়, আর একটি সপ্তাহে পাওয়া যায় ১৬৮ ঘণ্টা। আমরা আমাদের জীবনের এই মূল্যবান সময়গুলো নানাভাবে অতিবাহিত করি। কেউ কেউ এই মহামূল্যবান সময়গুলো পার করেন জীবনের সাথে জড়িত কিছু গঠনমূলক কাজ করে যা তার ভবিষ্যত জীবনে এনে দেয় অনাবিল এক সুখ। আর কেউ কেউ এই সময়গুলোকে নষ্ট করেন কিছু অনাকাঙ্খিত কাজ করে।

এমন অনেক সফল ব্যক্তি আছেন যারা তাদের জীবনের প্রতিটি সেকেন্ডকে কিছু ভালো এবং গঠনমূলক কাজের জন্য ব্যবহার করেছেন। তারা জানেন প্রতিটি সেকেন্ডের মূল্য কতখানি। তারা শিখে নিয়েছেন কীভাবে সময়কে কাজে লাগাতে হয়, জানেন কীভাবে সময়কে অপচয়ের হাত থেকে বাঁচাতে হয়।

প্রত্যেকদিন দিন পার হয়ে যায় দৌড়াতে দৌড়াতে? না নিজের জন্য একটু সময় বের করতে পারেন, আর না পারেন একটু আরাম করতে? বেশ, তাহলে জেনে রাখুন এটা হচ্ছে আপনারই ভুলে। গতিময় এই জীবনে ব্যস্ততা থাকবেই। কিন্তু সেই ব্যস্ততার ফাঁক ফোকর থেকেই নিজের আরামের জন্য একটু সময় বের করে নেয়াতা কিন্তু খুব সহজ, যদি সাথে থাকে একটু বুদ্ধি। কীভাবে প্রতিদিন সময় বাঁচাবেন? আসুন, জেনে নেয়া যাক এমন কিছু কৌশল যা নারী-পুরুষ সকলের কাজে লাগবে!

১. কীভাবে সময় অতিবাহিত করবেন পরিকল্পনা করুন

এর জন্য আপনি এক সপ্তাহ সময় নিতে পারেন। অনেকেই তাদের জীবনের মূল্যবান সময়কে অনেক বাজে কাজ করে নষ্ট করেন। লক্ষ্য ছাড়া প্রতিদিন তারা শুধু সময় অতিবাহত করার জন্য কিছু মূল্যহীন কাজ করে থাকেন। যার খুব বাজে প্রভাব তাদের ভবিষ্যত জীবনে পড়ে থাকে। এর জন্য আপনাকে জানতে হবে আপনি কিভাবে কোন কাজ করে সময় অতিবাহিত করবেন। আপনাকে একটি পরিকল্পনা করে এগুনো

জেনে নিন একঘেয়েমী দূর করার ৮ টি দারুণ উপায় !



প্রতিদিনের অফিস কিংবা ঘরের একই রকম কাজ করতে করতে জীবনটা একঘেয়ে হয়ে ওঠে । আর এই এক ঘেয়ে জীবন থেকে মুক্তি পেতে সন্ধ্যার পরেই ক্লান্ত শরীরে কেউ বসে পরেন টিভির সামনে, কেউ মুভি দেখেন কেউবা শোনেন গান । কিন্তু এভাবে কতটুকুই বা আপনার একঘেয়েমী কাটাতে পারে বলতে পারেন? ২% ও না। আর এভাবে ধীরে ধীরে মানসিক চাপ, ব্যস্ততা, একঘেয়েমী মিলে প্রতিনিয়ত একটু একটু করে আপনি আক্রান্ত হন বিষন্নতায়। এবং সেটা চরম মাত্রায় পৌঁছে গেলে ডাক্তারের শরনাপন্নও হতে পারেন আপনি । তাই দৈনন্দিন জীবনের একঘেয়েমীকে গুরুত্ব না দেয়াটা বেশ বড় বোকামী হতে পারে ।

এই একঘেয়েমী থেকে চটজলদি মুক্তি পেতে পারেন কয়েকটি সহজ উপায়ে।

১। .ছুটি নিন সব কাজ থেকেঃ

একদম সব কাজ থেকে ছুটি নিন। দিন তিনেক বা সাতেকের জন্যে অফিস থেকে ছুটি নিয়ে নিন। ঘরের কাজও কিন্তু কম পরিশ্রমের নয়, তাই ছুটি নিতে হবে সেটি থেকেও। যে কাজগুলো আপনি দৈনিক করে থাকেন তার একটিও এই ৩-৭ দিন করবেন না আপনি। এমন কিছু করুন যেগুলো করার কথা বহুদিন ধরে ভাবছিলেন কিন্তু করতে পারেন নি।

২। .বাড়িয়ে আসুন লোকালয় থেকে দূরেঃ

চেনা পরিবেশ থেকে দূরে চলে যান। প্রিয়জনকে নিয়ে বা একাই চলে যান লোকালয় থেকে দূরে প্রক্রিতির খুব কাছাকাছি কোথাও। পাহার, ঝরনা, সমুদ্র বা অরন্যে হারিয়ে গিয়ে টেরই পাবেন না কখন