Showing posts with label জানা অজানা. Show all posts
Showing posts with label জানা অজানা. Show all posts

জেনে নিন , যে ১০টি কারণে ভালো ছেলেরা প্রেমিকা পায় না !

ছেলেটি খুব ভালো। নম্র-ভদ্র স্বভাবের, কারো সাথে খারাপ ব্যবহার করে না, লেখাপড়ায়ও ভালো। অন্যদিকে ক্যারিয়ার সচেতন, মা-বাবার খেয়াল রাখে, সমাজে সকলেই তাঁদেরকে ভালো ছেলে হিসাবে জানে। একটু লক্ষ্য করলেই দেখবেন যে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এই ভালো ছেলেগুলোর প্রেমিকা হয় না। বা প্রেমিকা হলেও সম্পর্ক স্থায়ী হয় না। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মন ভাঙার যন্ত্রণা ছেলেটি একা বহন করে বেড়ায়। কেন হয় এমন? সেই প্রশ্নের জবাব রইলো এই ফিচারে।

১) গায়ে পড়া স্বভাব নেই

ভালো ছেলেরা শুধু মেয়ে কেন, কারো সাথেই গায়ে পড়ে

শতাব্দীর সেরা প্রেম !

এক বৃদ্ধ প্রেমিক সঙ্গীর বিরহে পরপারে পাড়ি জমিয়েছেন। ৯৫ বছর বয়সী এডি হ্যারিসন এবং ৯৬ বছর বয়সী ইথ হিল নামে ভার্জিনিয়ার এই দম্পতি ১০ বছর একসঙ্গে বসবাস করেন। অবশেষে তারা এই সম্পর্ককে পাকাপোক্ত করার জন্য বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন। গত বছেরের জুনে বিয়ে করেন তারা। বিয়ের পর এই বৃদ্ধ দম্পতি হিলের মেয়ে রেবেকা রাইটের বাড়িতে বসবাস করছিলেন।

এ ঘটনাটি ঘটে যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়ায় শহরে।

রেবেকা জানান, এটা হয়তো শতাব্দীর সেরা প্রেমের গল্প। বৃদ্ধ দম্পতি হ্যারিসন ও হিল একসঙ্গে নাচতো, হাঁটতো এবং একে অন্যকে প্রচণ্ড ভালোবাসত বলে স্মৃতিচারণ করেন মেয়ে রেবেকা।

তবে এই বিয়েতে হিলের সম্পত্তির বিতরণে জটিলতা দেখা দিতে পারে- এমন আশঙ্কায় আদালতের দ্বারস্থ হন তার আরেক মেয়ে প্যাট্রিকা বারবার।

আদালত এই বিয়েকে অক্ষুণ্ন রেখে ইথ হিলের জন্য তার দুই মেয়ের পরিবর্তে নতুন অভিভাবক নিযুক্ত করার আদেশ দেন। এ বিষয়ে হিলের মেয়ে রেবেকা রাইট জানান, গত বছরের ৬ ডিসেম্বর তার মায়ের নতুন অভিভাবক তার বাড়িতে আসেন। নতুন অভিভাবক তার মাকে ফ্লোরিডায় বোন বারবারের বাড়িতে নিয়ে যেতে

জেনে নিন, খুব কঠিন পড়া মনে রাখার কিছু সহজ কৌশল

লেখাপড়া বেশিক্ষণ মনে রাখতে পারেন না? কোন পড়া সহজে মুখস্থ হতে চায় না, কিংবা কঠিন কিছু বারবার চেষ্টা করেও শিখতে পারেন না? যতই চেষ্টা করুন না কেন, পরীক্ষার হলে গিয়ে সব ভুলে যান? আপনার সমস্ত সমস্যার সমাধান পেতে পারেন এই ফিচারে। জেনে নিন খুব সহজে কোন কিছু শিখে ফেলার দারুণ কার্যকরী ও বৈজ্ঞানিক ৫টি কৌশল। কেবল লেখাপড়া নয়, অন্য যে কোন কিছু শিখতেও কাজে আসবে।

১) চোখ দেখবে, কান শুনবে, মস্তিষ্ক বুঝবে

কঠিন পড়াগুলো জোরে জোরে উচ্চারণ করে পড়ুন। তবে কেবল জোরে উচ্চারণ করলেই হবে না, শুনতে হবে খুব মন দিয়ে। একই সাথে বিষয়টা বোঝার চেষ্টাও করতে হবে। যে অংশ্তি বুঝতে পারবেন না, সেটি একাধিক বার করে পড়ুন।

২) লিখে লিখে পড়া অভ্যাস করুন

যেটা পড়বেন, সেটা না দেখে লেখার চেষ্টা করুন। লিখে মিলিয়ে নিন যে ঠিক হলো কিনা। ঠিক না হলে আবার লিখুন। কয়েকবার লিখলেই রপ্ত হয়ে যাবে।

৩) আছে বিশেষ সময়

কঠিন কিছু শিখতে হলে নিজেকে জোর করে পড়ার টেবিলে বসাবেন না। শুধুমাত্র তখনই চেষ্টা করুন। যখন আপনি খুব আগ্রহ বোধ করছেন শেখার। নাহলে রাতের বেলায় পড়তে বসুন। যেন পড়া শেষ করেই

জীবনে সফল হতে চাইলে যা কিছু জানতেই হবে আপনাকে


sunshineজীবনে সাফল্যের জন্য কোন বিষয়টি জানা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ? এর কোনো সহজ উত্তর নেই। তবে ইতিহাস ঘেটে দেখা যায়, কিছু বিষয়ে নজর দেওয়া হলে তা সাফল্যের পথকে উন্মুক্ত করে। এতে বেড়ে যায় জীবনে সাফল্যের সম্ভাবনা। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে বিজনেস ইনসাইডার।
১. অধিকাংশ মানুষ আপনার বিষয়ে লক্ষ্য রাখে না
আপনি নতুন একটি গাড়ি কিনেছেন কিংবা অফিসে একটা প্রমোশন পেয়েছেন, আপনি হয়তো ভাবছেন আপনার আশপাশের মানুষ এসব বিষয়ের বিস্তারিত খবর রাখছে। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন। এসব বিষয় আপনার আশপাশের মানুষ খুব একটা খবর রাখে না।
২. সত্যিকার বন্ধুরা আপনার অর্জন কিংবা অবস্থান নিয়ে মনযোগী হবে না
আপনাকে যারা ভালোবাসে, কিংবা আপনার যারা সত্যিকার বন্ধু তাদের সহজেই চিনতে পারবেন কোনো লক্ষ্য অর্জন করার পর। আপনার ভালো কোনো অর্জনে প্রিয়জনরা অবশ্যই খুশি হবে। কিন্তু যারা আপনাকে ভালোবাসে, সে অর্জনের কারণে আপনার প্রতি তাদের আচরণ পাল্টাবে না।
৩. টাকার জন্য জীবন আপনার সুখ আনবে না
আপনার আগ্রহের বিষয়ে মনযোগ দিন, মানিব্যাগের দিকে নয়। বহু মানুষ আছে যারা বহু পরিশ্রম করে অর্থ সঞ্চয় করলেও সে অর্থ কোনো কাজে ব্যয় করতে পারেন না।
৪. ঋণ নেওয়ার কোনো আবশ্যিকতা নেই
আপনি যদি শিক্ষা বিষয়ে ঋণ নিতে চান, সেক্ষেত্রে বিষয়টি ভিন্ন। কিন্তু শুধু জীবনযাপনের জন্য ঋণ নেওয়ার কোনো প্রয়োজনীয়তা নেই। ঋণের বদলে আপনার বর্তমানে যা আছে, তাই নিয়ে চলাটাই সবচেয়ে ভালো।
৫. তোষামোদ শক্তিশালী বিষয়
কোন ধরনের শব্দ ও ভাষা মানুষকে অনুপ্রাণীত ও খুশী করতে পারে তা লক্ষ্য করুন। এতে অন্য মানুষেরা আপনার কথায় প্রভাবিত হবে। কারো মনোভাব পরিবর্তনে কীভাবে কাজ করতে হবে, সে বিষয়টি লক্ষ্য করতে পারলে আপনার উন্নতি সহজ হবে।
৬. সবার প্রতি আপনার দায়িত্ব রয়েছে, আবার নিজের প্রতিও রয়েছে
মানুষ হিসেবে আপনার দায়িত্ব রয়েছে সবার প্রতি নজর দেওয়ার। আবার নিজের প্রতিও আপনার নজর প্রয়োজন। আপনার নিজের সুখ ও সাফল্যের জন্যও প্রয়োজন এ দায়িত্ববোধ।
জীবনে সাফল্যের জন্য যে ৩০টি বিষয় জানা প্রয়োজন
৭. আশাতীত বিষয়ের জন্য প্রস্তুতি নিন
কোন বিষয়টি কীভাবে কাজ করে, কীভাবে প্রতিষ্ঠান চালানো হয়, সবকিছু জেনে রাখার পরেও অনেক সময় গণ্ডগোল হয়ে যায়। এ কারণে সম্ভাব্য সব বিষয়ের জন্য প্রস্তুতি নিয়ে রাখতে হয়।
৮. নিজের বর্ণনা করার সুযোগ দেবেন না অন্যদের
মানুষ একটি সমাজের অংশ হিসেবেই গড়ে ওঠে। ফলে অন্য মানুষকে নিজের সম্পর্কে বলার সুযোগ দিলে তাতে সঠিক বিষয়টি নাও উঠে আসতে পারে।
৯. প্রয়োজনীয়তার বাইরে যেতে হবে
সাফল্যের জন্য আপনাকে অবশ্যই অন্য মানুষদের চেয়ে বেশি দক্ষতা দেখাতে হবে। আর আপনি যখন শীর্ষে চলে যাবেন তখন নিজের সঙ্গেই প্রতিযোগিতা করুন।
১০. সচেতনতার গুরুত্ব সর্বাধিক
অন্যরা আপনাকে যেভাবে দেখে, সেভাবে নিজের দিকে দেখা সবচেয়ে ভালো। এমন দৃষ্টিতে নিজেকে দেখতে পারলে আপনি অন্যদের সহজেই বুঝতে পারবেন্
১১. আপনার প্রত্যেক কাজেই পূর্বধারণা কাজ করে
আপনার প্রত্যেক সিদ্ধান্তের পেছনে কাজ করে পূর্বধারণা। আপনি যদি এ পূর্বধারণাগুলো সম্বন্ধে সঠিকভাবে জানতে পারেন, তাহলে যে কোনো সিদ্ধান্ত বা ব্যবস্থা গ্রহণের ক্ষেত্রে বাস্তবতার ছোঁয়া পাবেন। এতে সঠিক কাজ করতে সুবিধা হবে।
১২. বর্তমানে গুরুত্ব দেওয়া আপনাকে লক্ষ্যের দিকে নিয়ে যাবে
আপনি যদি মেনে নেন যে, অতীত পার হয়ে গেছে এবং তাকে পরিবর্তন করা যাবে না। আর ভবিষ্যৎকে আপনি নিজের কাজের মাধ্যমে পরিবর্তন করতে পারবেন, তাহলে তা আপনার লক্ষ্য সাধনে সহায়ক হবে।
১৩. ভিন্নধর্মী মানুষেরা আপনাকে সমৃদ্ধ করবে
প্রিয় মানুষদের আপনার আশপাশে সব সময় রাখলে তা আপনার সৃজনশীলতা কমিয়ে দেবে। আর আপনি যদি নতুন দৃষ্টিভঙ্গি চান, তাহলে রাখুন ভিন্ন ধরনের মানুষদের। এতে আপনি দ্রুত বহু বিষয় শিখতে পারবেন।
১৪. বেশি বেশি ভ্রমণ করুন
ভ্রমণ শুধু বহু পথই দেখায় না, এর ফলে আপনি জীবনের নতুন নতুন সম্ভাবনাও আবিষ্কার করতে পারবেন। এটি আপনার মস্তিষ্ক থেকে স্বয়ংক্রিয় চালক দূর করবে এবং সতেজ অবস্থায় কাজে ফিরতে সাহায্য করবে।
১৫. নিজের আগ্রহের বিষয় না পাওয়া পর্যন্ত ঝুঁকি নিতেই হবে
আপনার আগ্রহের বিষয়ে কোনো কাজ যতদিন খুঁজে না পাচ্ছেন, খুঁজতে থাকুন। এজন্য ঝুঁকি নেওয়ার বিকল্প নেই।
১৬. নিজের স্বাস্থ্যের দিকে খেয়াল রাখা অবশ্যপালনীয়
আপনি যদি স্বাস্থ্যগত দিক দিয়ে দুর্বল বা অসুস্থ হন তাহলে ক্যারিয়ারের উন্নতিতে তা বিঘ্ন ঘটাতে পারে। এ কারণে স্বাস্থ্যগত বিষয়গুলোকে উপেক্ষা করার কোনো সুযোগ নেই। অন্যথায় এটি কর্মক্ষমতাও কমিয়ে দিতে পারে।
১৭. আপনার সুনাম রক্ষা করতেই হবে
আপনার সুনাম রক্ষা করা খুবই প্রয়োজনীয় একটি বিষয়। সৎ, বিশ্বাসী ও অন্যের প্রতি দয়ালু থাকা খুবই প্রয়োজনীয়।
১৮. সিদ্ধান্ত গ্রহণে আবেগের ভূমিকা দূর করুন
উদ্বেগ, ভয়, রাগ ইত্যাদি দীর্ঘদিনের অর্জনকে ধূলিস্যাৎ করে দিতে পারে। বড় কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে আপনি যথেষ্ট ঠাণ্ডা মাথায় বিষয়টি ভেবে দেখেছেন, তা নিশ্চিত হয়ে নিন।
১৯. অন্যকে ও নিজেকে ক্ষমা করে দিন
অপরিচিত মানুষ কিংবা প্রিয় মানুষ যে কেউ আপনাকে আঘাত দিতে পারে। এজন্য প্রয়োজনীয় প্রতিক্রিয়া দেখালেও পরে তা ভুলে যাওয়াই ভালো। ক্ষমা না করলে তা উল্টো আপনার ক্ষতির কারণ হবে।
২০. বড় লক্ষ্যের খোঁজ করুন
আপনি আপনার তুলনায় বড় একটি বিশ্বে বাস করেন। এ কারণে কীভাবে সে লক্ষ্যে পৌঁছানো যায়, তার সন্ধান করুন।
২১. জীবন ছোট
সময়ের সদ্ব্যবহার করতে হবে। জীবন ছোট একটি সময়। এ সময়ে তাড়াহুড়া করার কোনো বিকল্প নেই।
২২. বহু বিষয় আপনি জানেন না
আপনার সব বিষয়ে জ্ঞান থাকার কোনো সম্ভাবনা নেই। এ কারণে কোনো কাজে যদি অন্যের সঙ্গে আলোচনা করতে হয়, তাতে লজ্জার কিছু নেই। প্রয়োজনীয় সব সময় অন্যের সঙ্গে আলোচনা করবেন।
২৩. নিজের সঙ্গে সৎ থাকুন
আপনি যদি একজন মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠেন তাহলে সব বিষয় সম্বন্ধেই ধারণা থাকতে হবে। আর এজন্য সততার কোনো বিকল্প নেই।
২৪. সুখ একটি পছন্দ
আপনার আচরণ নিজস্ব একটি সিদ্ধান্ত। সুখী ও ইতিবাচক হতে পারলে তা আপনার পক্ষে যে কোনো পরিস্থিতিতেই সাফল্য অর্জন করা সহজ হবে।
২৫. আত্মবিশ্বাস আপনাকে এগিয়ে নেবে
আপনি যদি আত্মবিশ্বাসী হন তাহলে অন্যেরাও আপনাকে বিশ্বাস করবে। আর নিজের প্রতি যদি আপনার বিশ্বাস না থাকে তাহলে অন্যরা বিশ্বাস করতে ভরসা পাবে না। ফলে আপনার এগিয়ে যাওয়ার জন্য এটি প্রয়োজনীয়।
২৬. প্রত্যেকেই চিন্তিত থাকে
সবাই পতনের ভয়ে ভীত থাকে। এ কারণে তাদের ভয়কে কাজে লাগাতে পারলে আপনার পক্ষে সাফল্য পাওয়া সহজ হতে পারে।
২৭. যে কেউ আঘাত পেতে পারে
মাত্রাভেদে সবাই সংবেদনশীল। এ কারণে সবার প্রতি দয়ালু থাকা উচিত। সামান্য ইশারাও কাউকে খুশী বা অসন্তুষ্ট করতে পারে।
২৮. কোনোকিছুই নিখুঁত নয়
পৃথিবী সিনেমা নয়, বাস্তব। আর বাস্তবে ভালো মানুষেরা সব সময় বিজয়ী হয় না। আপনার যা আছে, তা নিয়েই সুখী হন। এতে আপনি শক্তিশালী ও সুখী হবেন।
২৯. অন্যদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগান
হিরোদের থেকে অভিজ্ঞতা সংগ্রহ করুন। তাদের পরামর্শ গ্রহণ করুন। এতে আপনার কাজ অনেক সহজ হয়ে যাবে।
৩০. সাফল্যের ক্ষেত্রে ভাগ্যের ভূমিকা সবচেয়ে কম
আপনি যদি সফল হতে চান তাহলে ভাগ্যের দিকে তাকিয়ে থাকলে চলবে না। এজন্য আপনার প্রচেষ্টাই ভাগ্য তৈরি করবে।

প্রথমবার অন্তরঙ্গ মুহূর্তের প্রস্তুতি নিতে প্রায় ৬ ঘন্টা সময় নেন নারীরা


Young couple with rose, outdoorsনতুন এক সমীক্ষাতে উঠে এসেছে, সঙ্গীর সঙ্গে প্রথমবার শারীরিক সম্পর্কে  লিপ্ত হওয়ার আগে কমপক্ষে ছয় ঘণ্টা প্রস্তুতি নেয় নারীরা। এ প্রস্তুতির মধ্যে থাকে ফেসিয়াল, স্প্রে, ট্যান ও ও ব্লো ড্রাই। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে হিন্দুস্তান টাইমস।
অন্তর্বাস ব্র্যান্ড ব্লুবেলা পরিচালিত ওই জরিপে দেখা গেছে, নারীরা নতুন সঙ্গীর সঙ্গে কোনো রাত কাটানোর আগে বিভিন্ন ধরনের রূপচর্চা করেন। এজন্য রূপচর্চার পেছনে পরিকল্পনা ও চর্চায় মোট ছয় ঘণ্টা ব্যয় করেন তারা।
জরিপে উঠে এসেছে, প্রথম যৌনতার আগে এক তৃতীয়াংশ নারী ফেসিয়ায় করেন, ৩২ ভাগ নারী ট্যানিং স্প্রে করেন এবং ৭৬ ভাগ নারী তাদের চুলের প্রফেশনাল হেয়ারস্টাইল করেন।
এ ছাড়াও যৌনতার আগে অনেক নারী ওয়াক্সিং করে থাকেন। ৫৩ ভাগ নারী জানিয়েছেন তারা ওয়াক্সিং করেন।
জরিপে আরও উঠে এসেছে, ৭৪ ভাগ নারী বলেছেন তারা ব্রেড বাস্কেট ও কার্বহাইড্রেট জাতীয় খাবার বাদ দিতে চান। এর উদ্দেশ্যে তাদের পেট যেন মোটা দেখা না যায়।
এ ছাড়াও তারা যখন একটি রাত সঙ্গীর সঙ্গে কাটানোর সিদ্ধান্ত নেন তখন সেটি যেন ভালোভাবে কাটে তার ব্যবস্থা করার জন্য সব প্রতিবন্ধকতা দূর করার চেষ্টা করেন। এ কারণে ১৯ ভাগ নারী জানান, তারা সঙ্গীর অ্যালকোহল গ্রহণের মাত্রাও ওপরও নজর রাখেন।
ব্লুবেলার উদ্যোগে প্রায় এক হাজার নারীর ওপর এ জরিপ করা হয়েছে।

যে কারণে মেয়েরা সেক্স করে !


sbঅনলাইন ডেস্ক :: প্রশ্নটা শুনে প্রশ্নকর্তার বুদ্ধিমত্তা নিয়ে সন্দেহহওয়া স্বাভাবিক। যৌনক্রিয়ার যে কারণগুলো স্বাভাবিক বলে পরিগণিত হয় সেগুলো হচ্ছে ভালবাসা/রোমান্সের প্রভাবে আবেগ তাড়িতহয়ে, আনন্দলাভের উদ্দেশ্যে, সন্তান লাভের আশায় ইত্যাদি। কিন্তু এগুলো ছাড়াও আরো অনেক বিচিত্র উদ্দেশ্যে মানুষ যৌন ক্রিয়ায় লিপ্ত হয়। লক্ষ্যণীয়ভাবে, নারীদের যৌন ক্রিয়ার কারণগুলো পুরুষদের চেয়ে অনেক বেশিবৈচিত্র্যময়। ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট সিন্ডি মেস্টন এবং ইভোল্যুশনারি সাইকোলজিস্ট ডেভিড বাস পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তের ১০০৬ জন নারীর সাক্ষাৎকার নিয়েছেন তাদের যৌন প্রেষণার বিষয়ে। আর মাত্র ১০০৬ জন নারীর কাছ থেকেই বেরিয়ে এসেছে যৌনতার ২৩৭ টি আলাদা আলাদা কারণ। যদিও অনেকগুলো কারণের ব্যাপারে প্রায় সবাই একমত, আবার অনেকগুলো কারণ কয়েকজনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। তো দেখা যাক, কারণ গুলো কী কী?
মেস্টন ও বাস নারীদের যৌন-প্রেষণাগুলোকে স্বাভাবিকভাবেই তিন ক্যাটাগরিতে বিভক্ত

যে কারণে মেয়েদের সেক্স ছেলেদের চেয়ে বেশি!! [ভিডিওসহ]


আমি সত্যি কথাটাই বলছি। জীবনে প্রথম যখন সেক্স করি, তখন কল্পনায় যখন ভেবেছিলাম তেমন উত্তেজনাকর মনে হয়নি। তারপর একদিন অন্য একজনের সঙ্গে হঠাৎ করেই এ কাজটি হয়ে যায়। তখন ব্যাপারটি দারুণ উত্তেজনাকর ও আবেগময় ছিলো। এটা কী সঙ্গী পরিবর্তনের জন্য হয়েছে, নাকি তাকে আমার বেশি ভালো লেগেছিল? আমি জানি না।

প্রচণ্ড আবেগের সঙ্গে কাজটি না করা গেলে একদম ভালো লাগে না, এভাবে যৌনতা নিয়ে নিজের মনোভাব প্রকাশ করলেন ২৪ বছরের এক মার্কিন তরুণী। মূলত ছেলেদের চেয়ে মেয়েদের কাছে সেক্স  অনেক গভীর আবেদনের এবং আবেগময় বিষয়। এর পেছনের কারণ উদ্ভাবনের চেষ্টা করেছেন গবেষকরা।
সম্পর্কের বাঁধন
নরের সঙ্গে নারীর সম্পর্কের নানা স্তর রয়েছে। সম্পর্কের দীর্ঘসূত্রিতা নির্ভর করে তাদের মধ্যকার নানা আবেগীয় লেনদেনের ওপর। নারী তার সঙ্গীর প্রতি চরমভাবে দুর্বল হয়ে তাকে নিজের জীবনের অংশ করতে যৌনতায় লিপ্ত হয়। নিজের কামনা বাসনা এবং যাবতীয় সবকিছু নারী উজাড় করে দেয় সঙ্গীর কাছে। কিন্তু নতুন পুরুষের কাছে নানা দ্বিধা-দ্বন্দ্বে থাকেন নারীরা। তাই একেবারে আপন করে নিতেই নারীরা সঙ্গম করেন।
সম্পর্ক বিষয়ক সুসান কুলিয়াম বললেন, পশ্চিমে তত্ত্বীয়ভাবে যেকোনো নারী যেকোনো পুরুষের সঙ্গে সেক্স করতে পারেন। অনেকে তা করেন। কিন্তু আমরা এখনো জানিনা এই নারীদের কী দৃষ্টিভঙ্গীতে দেখা উচিত। নারীদের মধ্যে যৌন উত্তেজনা রয়েছে, তবে অতিমাত্রায় নয়। যার রয়েছে তিনি মানসিকভাবে অসুস্থ। তবে একজন পুরুষকে ভালোবেসে তার সঙ্গে জুটি গড়ার ক্ষেত্রে যৌনতা উপভোগ্য হয়ে ওঠে নারীর কাছে।

কল দিয়ে বিরক্ত করে ? জেনে নিন প্রতিরোধের ৬টি উপায় !

unnamed
 আমরা অনেকেই মোবাইল ফোনে প্রতিনিয়ত অপরিচিত ফোনকলের বিরক্তের শিকার হয়ে থাকি। বিশেষ করে মেয়েরা এই ধরনের সমস্যায় বেশি ভোগেন। শুধু কল করাই নয়, কল করে প্রেমের প্রস্তাব দেয়া থেকে শুরু করে নোংরা কথাবার্তা পর্যন্ত অনেক কিছুরই শিকার হয়ে থাকেন মেয়েরা। এসব ফোনকল নিঃসন্দেহে আপনার কাজের ব্যাঘাত ঘটায় এবং চরম বিরক্তের কারণ হয়। অনেকে মানসিক ভাবেও ভেঙে পড়েন। তবে ভেঙে পড়লে চলবে না মোটেই। জেনে নিন কীভাবে মোকাবেলা করবেন এই যন্ত্রণার।
১. ভালোভাবে বোঝাবেন :
এটা একেবারে প্রাইমারি পদক্ষেপ। তবে অনেক ক্ষেত্রেই কাজ করে। গালাগালি করার চাইতে এটা অনেক ভালো। প্রথমত আপনি অপরিচিত ফোনকলে যিনি কল করেছেন তাকে ভাইয়া সম্বোধন (আপনি যদি নারী হন) করে বোঝান যে তার কলে আপনি অনেক বিরক্ত হচ্ছেন। আপনাকে ফোন না দিলে খুশি হবেন বা এই ধরনের ফোনে বিরক্ত করা ভালো মানুষের কাজ নয় অথবা এতে ভদ্র বংশের ছেলের পরিচয় দেয় না। আপনাকে যদি বলে যে সে আপনার বন্ধু হতে চান সেক্ষেত্রে বলুন যে আমার এমনিতেই অনেক বন্ধু আপাতত আর কাউকে বন্ধু করব না। এভাবে বিভিন্ন উপায়ে তাকে বোঝান যে তার ফোনে আপনি প্রচন্ড পরিমাণে বিরক্ত হচ্ছেন। এ কারণে তিনি যেন আর ফোন না দেন।
২. মোবাইলটি নীরব রাখুন :
প্রথম পদ্ধতিতে যদি কোনো কাজ না হয় তাহলে আপনার মোবাইলটি নীরব রাখুন। এর ফলে দেখবেন সেই ব্যক্তি ফোন দিতে দিতে ক্লান্ত হয়ে আর ফোন দেবেন না বা নেতিবাচক ফলাফলে ফোন দেয়া বন্ধ করে দিতে

পর্নো ছবি দেখলে বাড়ে ডিভোর্সের সম্ভাবনা


বিবাহিত জীবনের সমস্যা হিসেবে আসতে পারে পর্নো উপভোগ করা। কারণ এতে মানুষের মনে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক ‘সাধারণ ও প্রণোদনামূলক’ বলে ধারণা হতে পারে। সাম্প্রতিক এক গবেষণার ফলে জানা গেছে, এতে ডিভোর্সের সম্ভাবনা বেড়ে যায়। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে হিন্দুস্তান টাইমস।
 সাম্প্রতিক গবেষণাটিতে দেখা গেছে, কোনো ব্যক্তি যত বেশি পর্নো উপভোগ করে, তার মনে তত বেশি বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক গ্রহণ করার প্রবণতা তৈরি হয়।
 গবেষকরা জানান, পর্নোগ্রাফির ফলে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক বিষয়ে ইতিবাচক ধারণা গড়ে ওঠে। ফলে বিষয়টি বেড়ে যেতে পারে। এ কারণে পর্নোগ্রাফির সঙ্গে সম্পর্ক থাকতে পারে বিয়ে বহির্ভূত যৌন সম্পর্ক ও বিয়ে বিচ্ছেদের।
 এ বিষয়টি অনুসন্ধান করার জন্য বিজ্ঞানীরা যুক্তরাষ্ট্রে ৫৫১ জন বিবাহিত ব্যক্তির মধ্যে একটি জরিপ পরিচালনা করেন। এতে অংশগ্রহণকারীদের প্রশ্ন করা হয়, তিনি গত এক বছরে এক্স-রেটেড সিনেমা দেখেছেন কি না। এ ছাড়া বিবাহিত মানুষের অন্য কারো সঙ্গে যৌন সম্পর্ক সম্পর্কেও মতামত জানতে চাওয়া হয়।

মস্তিষ্ক সুস্থ রাখার ৫ উপায়


আমাদের দেহকে পরিচালনা করে মস্তিষ্ক। দেহের প্রত্যেকটি অঙ্গ প্রত্যঙ্গই মস্তিষ্কের উপর নির্ভরশীল। মস্তিষ্ক সুস্থ থাকলে শরীর এমনই সুস্থ থাকবে। কিন্তু সামান্য কিছু ভুলে মস্তিষ্ক অসুস্থ হতে পারে।

সঠিক খাদ্যাভ্যাস না থাকা, ঘুম কম হওয়া বা অনিদ্রা, অলসতা ইত্যাদির ফলে মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য ব্যহত হতে পারে। কিন্তু দেহের সুস্থতার কারণে মস্তিষ্ককে সুস্থ রাখা প্রয়োজন। তাই মস্তিষ্ককে সুস্থ রাখতে চাইলে চটি কাজ অবশ্যই করতে হবে৷

মাছ মস্তিষ্কের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি খাবার। মাছে ওমেগা-৩ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে যা মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা ও বুদ্ধিমত্তা প্রায় ১০ শতাংশ বাড়াতে সাহায্য করে। তাই সপ্তাহে অন্তত দুই দিন মাছ খান।

নিয়মিত শরীরচর্চা দেহের পাশাপাশি মস্তিষ্ককেও সুস্থ রাখতে সক্ষম। মানুষের বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মস্তিষ্কের কোষ তৈরি কম হয় এবং মস্তিষ্কের আকার ধীরে ধীরে কমতে শুরু করে। নিয়মতি ব্যায়াম আমাদের দেহের রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে এবং একই সঙ্গে মস্তিষ্কে নতুন কোষ তৈরি করতে সাহায্য করে। এতে মস্তিষ্ক সুস্থ থাকে। তাই নিয়মিত শরীরচর্চা একান্ত জরুরি।

মানুষের জীবন একঘেয়ে হলে মস্তিষ্কও সেই অনুযায়ী গঠিত হয় এবং অন্য চিন্তা করার ক্ষমতা ধীরে ধীরে কমতে থাকে। এতে মস্তিষ্ক অলস হয়ে পড়ে এবং সাধারণ চিন্তা করার ক্ষমতা এবং বুদ্ধিমত্তা হ্রাস পেতে শুরু করে। তাই এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে নতুন কোনও কাজ করা উচিত। নতুন ধরনের কাজের ফলে মস্তিষ্ক সচল থাকে।

মানসিক চাপ মস্তিষ্কের জন্য সবচেয়ে ক্ষতিকর। এই ফলে মস্তিষ্কের নিউরোন এবং কোষ গঠন ধীর গতিতে হয় এবং স্বাভাবিক চিন্তার ক্ষমতা লোপ পেতে থাকে। মানসিক চাপের ফলে স্মৃতিশক্তিও কমতে শুরু করে। তাই যতটা সম্ভব মানসিক চাপ এড়িয়ে চলুন।

মানুষের জীবনে সমস্যা থাকবেই। তার থেকে মানসিক চাপ হতেই পরে। কিন্তু তা স্থায়ী হলে মুশকিল। তাই মানসিক অবসাদ তাড়াতে মেডিটেশন অত্যন্ত জরুরি। প্রতিদিন অন্তত ১০ মিনিট মেডিটেশন করলে মস্তিষ্ক সুস্থ থাকে।

সাহিত্য পাঠ মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়


Man-Reading-A-Novel-300x175সাহিত্য সব সময় মানুষের সৃজনশীলতা বাড়িয়ে দেয় এটা আগে থেকেই প্রতিষ্ঠিত সত্য, বই হচ্ছে মানুষের অকৃত্রিম বন্ধু, এবার গবেষকরা আবিষ্কার করলেন সাহিত্য পাঠ মানুষের মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বহুগুণ বাড়িয়ে দিতে সক্ষম।
অনেক মানুষ আছেন যারা বলে থাকেন বই পাঠ তাদের জীবনকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করে কিংবা জীবনকে একঘেয়ে কিংবা কাল্পনিক করে তুলে, কিন্তু গবেষকরা এবার জানালেন বই বা সাহিত্য পাঠ মানুষকে চিন্তা চেতনায় নতুন করে উজ্জীবিত করে এবং মানুষের মস্তিষ্ক সাহিত্য পাঠের মাধ্যমে শক্তিশালী হয়ে উঠে।

দুনিয়ার সবচেয়ে দামি হাসির রহস্যভেদ

nari_jander copyমোনালিসার ঠোঁটের কোনে হাল্কা লাস্যময়ী হাসির রহস্যভেদ করতে প্রায় ৫০০ বছর ধরে গবেষণা চলছে। কিন্তু এই রহস্যভেদ করতে রথী-মহারথীরা যেখানে মাথার ঘাম পায়ে ফেলে ক্লান্ত, সেখানে টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়ের অপেশাদার শিল্প-ইতিহাসবিদ উইলিয়াম ভার্বেল নিমিষেই বাতলে দিয়েছেন মোনালিসার হাসির রহস্য!
আমেরিকার অধ্যাপক ভার্বেল মনে করছেন, মোনালিসা ছিলেন ষষ্ঠ শতাব্দীর অন্যতম নারীবাদী মহিলা। লা গিওকোনডো ( ইটালি ভাষায়) চাইতেন ক্যাথলিক চার্চে মহিলাদের অধিকার। পুরুষতান্ত্রিক সমাজে নারীদের অধিকার নিয়ে তিনি লড়াই চালিয়ে গেছেন। ভার্বেলের মতে, তাঁর এই নারীবাদী মুখ প্রকাশ পাচ্ছে লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চির আঁকা বিখ্যাত তৈলচিত্র মোনালিসার ছবিতে। মোনালিসার এই হাসির মধ্যে লুকিয়ে আছে তৎকালীন সমাজের নারীচেতনা।
ইতিহাসবিদ উইলিয়াম ভার্বেলের সদ্য প্রকাশিত বইয়ে “দ্য লেডি স্পিকস : আনকভারিং দ্য সিকরেট অফ দ্য মোনালিসা”য় লিখেছেন লা গিওকোনডো ছিলেন নারী অধিকারের অন্যতম নেত্রী। তিনি স্বপ্ন দেখতেন নিউ জেরুজালেমে নারী পুরুষের সমান অধিকার। লেডি গিওকনডো নামজাদা ব্যবসায়ী ফ্রান্সসেকো ডেল গিওকোনডোর স্ত্রী হলেও তিনি স্বাধীনভাবে জীবনযাপন করতেন। একাধারে পাঁচ সন্তানের মা, আবার সমাজে অসহায়, পদদলিত নারীদের প্রতিবাদী জননেত্রী। সবকিছুই ফুটে

একজন ধর্ষিতা বিশ্ব সুন্দরীর জীবন কাহিনী

লিনর আবারগিল১৯৯৮ সালের বিশ্ব সুন্দরী প্রতিযোগিতার খেতাব জিতলেন ইসরায়েল সুন্দরী লিনর আবারগিল। খেতাব জেতার পর তাঁর চোখে যে অশ্রু ছিল, তা কি শুধুই আনন্দের? না।
লিনরের বয়স তখন মাত্র ১৮ বছর। ছোটবেলা থেকেই সেরা সুন্দরী হওয়ার যে স্বপ্ন বুকে লালন করেছিলেন তিনি। তাই সে স্বপ্ন বাস্তব হওয়ার পর আনন্দ অশ্রু খুবই স্বাভাবিক। কিন্তু তাঁর চোখের জলের পেছনে ছিল করুণ ও ভয়ঙ্কর এক কাহিনী। বিশ্বসুন্দরীর খেতাব জেতার মাত্র ছয় সপ্তাহ আগে ধর্ষিত হয়েছিলেন ইসরায়েলের এই কন্যা।
কিন্তু আর দশটা মেয়ের মতো ধর্ষণের এই ঘটনা চেপে যাননি লিনর। তিনি ঐ ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ দাখিল করেন। জনসমক্ষে বিচারের জন্য সোচ্চার হন। যার ফলে ঐ ব্যক্তি কাঠগড়াতে দাঁড়াতে বাধ্য হয় এবং তাকে ১৬ বছরের কারাদণ্ড দেয় আদালত। এই একটি মাত্র ঘটনা ইসরায়েলের সব নারীদের স্তব্ধতাকে যেন চ্যালেঞ্জ করে ওঠে। ফলে এখন কেউ যৌন হয়রানির শিকার হলে আর চুপ করে থাকে না। নিজ দেশে ধর্ষণের বিরুদ্ধে আওয়াজ তোলার ক্ষেত্রে ইসরায়েলের প্রতীক হয়ে উঠেছেন লিনর।
সম্প্রতি তাঁকে নিয়ে একটি প্রামাণ্য চিত্র নির্মাণ করা হয়েছে, যার নাম ‘ব্রেভ মিস ওয়ার্ল্ড’। .যেখানে তিনি তাঁর এবং যৌন হয়রানির শিকার আরো অনেক নারী নিজেদের হয়রানির কথা অকপটে বলেছেন।  এঁদের মধ্যে অনেকেই জীবনে প্রথমবারের মতো নিজেদের জীবনের সেই ভয়ঙ্কর ঘটনাটি তুলে ধরেছেন। ডয়েচে ভেলে

মানব শরীর নিয়ে অজানা তথ্য


375px-Surface_projections_of_the_organs_of_the_trunk যদি আপনার ওজন আধা কেজিও বেড়ে যায় তাহলে তার সঙ্গে তাল রক্ষা করতে আপনার শরীর ১১ কিলোমিটার লম্বা রক্তনালি তৈরি করে। এর সরল অর্থ শরীরে রক্ত চলাচলে সমন্বয় আনতে ওই ১১ কিলোমিটার রক্তনালির জন্য আপনার শরীরকে আরও বেশি পরিশ্রম করতে হয়। এর অবশ্যম্ভাবী ফল হলো আপনার হৃৎপণ্ডের ওপর চাপ বেড়ে যাওয়া। এক্ষেত্রে একটি ভালো খবর হচ্ছে, আপনি যদি ওজন আধা কিলো সময়মতো কমিয়ে ফেলতে পারেন, তাহলে অপ্রয়োজনে সৃষ্ট (!) ওই রক্তনালিগুলোও মারা যায় (মিলিয়ে যায়)।শরীরে অণুর সংখ্যা কত?
যদি প্রশ্ন করা হয়, আমাদের শরীরে অণুর সংখ্যা কত? যদি এই সংখ্যাটা আগে থেকে না জেনে থাকেন, তাহলে নিশ্চিত উত্তর জেনে অবাক হবেন । একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের শরীরে ৭ অক্টাটিলিয়ন অ্যাটম বা অণু থাকে। ১ অক্টাটিলিয়ন = ১০০০ ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন।
সবচেয়ে বড় ক্রোমোজম
আমাদের শরীরে সবচেয়ে বড় মলিকিউল হচ্ছে ক্রোমোজম-১। .এতে ১০ লাখ অ্যাটম বা অণু থাকে। সাধারণ মানুষের কোষে ২৩ জোড়া ক্রোমোজম থাকে। এর মধ্যে ক্রোমোজম-১ হচ্ছে সব থেকে বড়।
সিসাও গলে যায় কিন্তু গলে না পরিপাকতন্ত্র!
মানুষের পরিপাকতন্ত্রে যে অ্যাসিড থাকে তার তেজ এত কড়া যে দস্তাও গলিয়ে ফেলতে পারে। প্রশ্ন উঠতে পারে তাহলে আমাদের নাড়ি-ভুঁড়ি তাতে গলে যায় না কেন? এই ভয়াবহ ঘটনাটা ঘটে না। কারণ পরিপাকতন্ত্রের ভিতরে অবিরত নতুন কোষকলা তৈরি হতে থাকে। এগুলো এত দ্রুত গতিতে সৃষ্টি হতে থাকে যে এর অভ্যন্তরে থাকা অ্যাসিড পরিপাকতন্ত্রকে গলানোর সময়ই পায় না।
দিনে ১ লাখ বার
আমাদের চোখের পিউপিল দিনে এক লাখ বার নড়াচড়া করে

জেনেনিন মানুষের দেহের গন্ধ বিপরীত লিঙ্গের প্রতি যৌন আবেদন সৃষ্টি করে !

18পুরুষের বাহুমূলের গন্ধই বলে দেয় যে তিনি একজন পুরুষ। এ গন্ধ বিপরীত লিঙ্গকেও পুরুষের পরিচয় বুঝিয়ে দেয়। তেমনি নারী মূত্রের গন্ধ বলে দেয় তিনি নারী। বেইজিংয়ের চাইনিজ একাডেমি অব সায়েন্সেসের ঘ্রাণ বিজ্ঞানী ওয়েন ঝু এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানান- যা কিছু বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
গবেষক জানান, আমাদের এ গবেষণায় দেখানো হয়েছে কিভাবে সেক্স ফেরোমোনস মানুষের মধ্যেও কাজ করে। ফেরোমোনস হচ্ছে এক ধরনের রাসায়নিক সংকেত যা পশু-পাখিরা যৌন মিলন এবং স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে ব্যবহার করে। এই রাসায়নিক সংকেত রেপটাইল, হিংস্র প্রাণী এবং অন্যান্য পশুর ক্ষেত্রে কার্যকর। কিন্তু মানুষের ক্ষেত্রে তা কার্যকর নয়। যৌন মিলনের সঙ্গী বা সঙ্গিনী খুঁজতে তারা এই রাসায়নিক সংকেতের গন্ধ কাজে লাগায়, মানুষ এই ঘরানার প্রাণী নয়।
ঝু বলেন, মানুষের দেহের রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় যে গন্ধ বের হয় তার প্রভাবে কিছু আচরণ প্রকাশ পায় যা পশুদের সঙ্গে মেলে। পুরুষ শূকরের মুখের লালার গন্ধ নারী শূকরকে তাৎক্ষণিকভাবে মিলিত হওয়ার জন্য উদ্বুদ্ধ করে। পরীক্ষায় দেখা গেছে, পুরুষের দেহের রসায়ন, এন্ড্রোস্টাডিওন, অণ্ডকোষে পাওয়া স্টেরয়ড, বাহুমূল এবং চুলের গন্ধ নারী হৃদস্পন্দন বাড়িয়ে দেয় এবং যৌন মিলনে ইতিবাচক মানসিকতা তৈরি করে দেয়। একইভাবে নারীর মূত্রে প্রাপ্ত ইস্ট্রোজেনের মতো এক ধরনের কম্পাউন্ড রয়েছে যাকে বলে এস্ট্রাটেট্রাইনল। এর গন্ধে পুরুষের হৃদস্পন্দন বেড়ে যায়।
এসব স্টেরয়ডের গন্ধ মানুষের যৌনতার তথ্য প্রকাশ করে কি না, তা কেউ জানে না। ঝু বলেন, তিনি ও তাঁর দল ৪৮ জন পুরুষ এবং ৪৮ জন নারীকে নিয়ে পরীক্ষা চালান। এদের মধ্যে অর্ধেক ছিলেন সমকামী অথবা উভকামী। তাদের এসব স্টেরয়েড এবং লবঙ্গের ঘ্রাণ নিতে দেওয়া হয়। গন্ধ নেওয়ার সময় একটি ভিডিওচিত্র দেখানো হয় যেখান কিছু ডটের মাধ্যমে মানুষের দেহ প্রকাশ করা হয়। তবে ওই দেহ পুরুষ না নারীর তা বোঝা যাচ্ছিল না। অংশগ্রহণকারীদের কাজটি ছিল, গন্ধ নিয়ে বলতে হবে ভিডিওচিত্রের চরিত্রটি

মা দিবস


মায়ের প্রতি সন্তানের ভালোবাসার ইতিহাস হাজার বছরের পুরোনো ইতিহাস। প্রতি বছরের মে মাসের দ্বিতীয় রবিবার পালিত হয় ‘মা দিবস’। .মনে হতে পারে, মায়ের ভালোবাসার জন্য আবার আলাদা করে একটি দিন রাখার কী দরকার? আমরা সবাই তো আমাদের মাকে প্রতিদিনই খুব ভালোবাসি। কিন্তু, শুধু মায়ের ভালোবাসার জন্য একটি আলাদা দিন থাকার মজা হল। এদিন পৃথিবীর সকল সন্তান একসঙ্গে সব মাকে শুভেচ্ছা জানাবে, উপহার দিবে। শুধু তাই না, এদিনে কিন্তু শুধু নিজের মাকে ভালোবাসলেই হবে না, সম্মান জানাতে হবে সকল মাকেই।
এই ‘মা দিবস’ পালনের চিন্তাটা কিন্তু বেশ পুরনো। এমনকি কয়েক হাজার বছর আগেও মা দিবস পালন করা হত। মিশর, রোম ও গ্রিসে মা দিবস পালন করা হত খ্রিস্টের জন্মের অনেক আগে থেকেই। তবে সে মা দিবসটা এখনকার মা দিবসের মতো ছিল না। তখনকার মা দিবস ছিল দেবতাদের মায়ের দিবস। সেদিন বিভিন্ন দেবতার মায়ের আরাধনা করা হত। আরাধনা করা হত দেবী আইসিসের কিংবা সিবিলির অথবা রিয়ার।
সত্যিকারভাবে মায়েদের জন্য দিবস পালন শুরু হয় ১৬ শতকে এসে, ইংল্যান্ডে। দিনটিকে ওরা বলত, মাদারিং ডে। এদিন সরকারি ছুটিও ছিল। মাদারিং ডে তে পরিবারের সবাই মায়ের কাছে এসে, মায়ের সঙ্গে সারাদিন কাটাত। তবে শেষতক এই দিবসটি তেমন প্রসার লাভ করেনি।
ব্রিটিশরা যে পৃথিবীর নানা অঞ্চলে উপনিবেশ স্থাপন করেছিল। এমনকি আমেরিকাও ছিল ব্রিটিশ উপনিবেশ। তখন ইংল্যান্ড থেকে দলে দলে লোকজন আমেরিকায় গিয়ে বসবাস করতে শুরু করে। আমেরিকায় আসা

আমরা কেন হাই তুলি? জেনে নিন আজব যত কারণ!


 আমরা প্রতিদিন এমন একটা কাজ করি যা কিন্তু অনেকটাই অদ্ভুত, আর এর পেছনে কারণটি কি তা কেউই সঠিক বলতে পারেন না। হ্যাঁ, এই কাজটি হলো হাই তোলা! ঠিক কী কারণে আমরা হাই তুলি? হাই তোলার ফলে আমাদের শরীরে কী উপকারটাই বা হয়? গবেষকেরা অনেক বড় বড় রোগের পেছনে লেগে আছেন, তাই হাই তোলা নিয়ে বিশদ গবেষণার ফুরসত কারোই হয়নি। কিন্তু তা সত্ত্বেও মানুষের মনে কৌতূহল আছে ঠিকই। আর হাই তোলার কার্যকারণ নিয়েও রয়েছে তত্ব।

হাই তোলা নিয়ে সবচাইতে পুরনো তত্ব সম্ভবত হিপোক্রেটিসের দেওয়া, যেখানে তিনি বলেন- হাই তোলার ফলে “ভালো” বাতাস শরীরে ঢোকে এবং “খারাপ” বাতাস বের হয়ে যায়। বর্তমানেও এমন একটা তত্ব প্রচলিত আছে, যেখানে বলা হয় হাই তোলার ফলে শরীরে অনেকটা অক্সিজেন প্রবেশ করে আমাদের শক্তি দেয় আর বের হয় যায় কার্বন ডাই অক্সাইড।

তবে গবেষণায় এই তত্ব প্রমাণিত হয়নি বরং এর বিপরীত তথ্য জানা গেছে। যেসব মানুষের অক্সিজেনের দরকার বেশি থাকে তারা আসলে অন্যদের চাইতে বেশি হাই তোলেন না। তাই হাই তোলার ব্যাপারটাকে এখনও রহস্যই বলা যায়।

সবচাইতে সাম্প্রতিক তত্ব, যার সাথে বেশিরভাগ গবেষকই সহমত পোষণ করেন, তা হলো হাই তোলার মাধ্যমে আমাদের মস্তিষ্ক ঠাণ্ডা থাকে। মস্তিষ্ক যখন কোনো কারণে গরম হয়ে যায় তখনি আমাদের হাই তুলতে ইচ্ছা হয়। আমাদের মস্তিষ্ক খুব বেশি পরিমাণে শক্তি খরচ করে। এর আকৃতি সারা শরীরের তুলনায় ছোট হলেও, তা খরচ করে বিপাকীয় শক্তির প্রায় ৪০ শতাংশও। আর মস্তিষ্ক প্রায়ই গরম হয়ে যায়, যেভাবে আমাদের কম্পিউটার বেশিক্ষণ চললে গরম হয়ে যায়। আমরা ক্লান্ত হয়ে গেলে, বোর হতে থাকলে বা অসুস্থ থাকলে গরম হয়

আযানের ধ্বনিতে ফোটে আযান ফুল!

sdefqwef
নিউজ ডেস্ক : প্রকৃতির অনেক অদ্ভুত আচরণ আছে। যার বৈজ্ঞানিক তেমন কোনও ব্যাখ্যা পাওয়া যায় না। আর প্রকৃতির আচরণ যদি ধর্মীয় কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকে তবে বলতেই হয়, সৃষ্টিকর্তার কী অপার মহিমা! তেমনই একটি ফুল আযান ফুল। আযানের ধ্বনিতে ফোটে এই ফুল।
সিএনএন’র রিপোর্ট বলা হয়েছে, আজারবাইজানের এক মুসলিম গ্রামে মোহাম্মদ রহিমের বাগানে এক ধরনের ফুল রয়েছে, যা আযানের ধ্বনিতে ফোটে। এই ফুল প্রতি পাঁচ ওয়াক্তে আযানের ধ্বনিতে ফোটে। আযানের পর আবার বন্ধ হয়ে যায়।

আযানের প্রতিটি বাণীর ছন্দে ফুলগুলো প্রস্ফুটিত হয়। ফজর, যোহর, আসর, মাগরিব এবং এশা প্রত্যেক ওয়াক্তে আযানের বাণী যেন ফুলগুলোকে জাগ্রত করে ইবাদতের জন্য। আর তাই ফুলটির নাম দেওয়া হয়েছে আযান ফুল। পৃথিবীর হয়তো বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে রয়েছে এই বিরল প্রজাতির আযান ফুল।
সূত্র: সময়ের কন্ঠস্বর