Showing posts with label লাইফস্টাইল. Show all posts
Showing posts with label লাইফস্টাইল. Show all posts

জেনে নিন , যে ১০টি কারণে ভালো ছেলেরা প্রেমিকা পায় না !

ছেলেটি খুব ভালো। নম্র-ভদ্র স্বভাবের, কারো সাথে খারাপ ব্যবহার করে না, লেখাপড়ায়ও ভালো। অন্যদিকে ক্যারিয়ার সচেতন, মা-বাবার খেয়াল রাখে, সমাজে সকলেই তাঁদেরকে ভালো ছেলে হিসাবে জানে। একটু লক্ষ্য করলেই দেখবেন যে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এই ভালো ছেলেগুলোর প্রেমিকা হয় না। বা প্রেমিকা হলেও সম্পর্ক স্থায়ী হয় না। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মন ভাঙার যন্ত্রণা ছেলেটি একা বহন করে বেড়ায়। কেন হয় এমন? সেই প্রশ্নের জবাব রইলো এই ফিচারে।

১) গায়ে পড়া স্বভাব নেই

ভালো ছেলেরা শুধু মেয়ে কেন, কারো সাথেই গায়ে পড়ে

জেনে নিন, খুব কঠিন পড়া মনে রাখার কিছু সহজ কৌশল

লেখাপড়া বেশিক্ষণ মনে রাখতে পারেন না? কোন পড়া সহজে মুখস্থ হতে চায় না, কিংবা কঠিন কিছু বারবার চেষ্টা করেও শিখতে পারেন না? যতই চেষ্টা করুন না কেন, পরীক্ষার হলে গিয়ে সব ভুলে যান? আপনার সমস্ত সমস্যার সমাধান পেতে পারেন এই ফিচারে। জেনে নিন খুব সহজে কোন কিছু শিখে ফেলার দারুণ কার্যকরী ও বৈজ্ঞানিক ৫টি কৌশল। কেবল লেখাপড়া নয়, অন্য যে কোন কিছু শিখতেও কাজে আসবে।

১) চোখ দেখবে, কান শুনবে, মস্তিষ্ক বুঝবে

কঠিন পড়াগুলো জোরে জোরে উচ্চারণ করে পড়ুন। তবে কেবল জোরে উচ্চারণ করলেই হবে না, শুনতে হবে খুব মন দিয়ে। একই সাথে বিষয়টা বোঝার চেষ্টাও করতে হবে। যে অংশ্তি বুঝতে পারবেন না, সেটি একাধিক বার করে পড়ুন।

২) লিখে লিখে পড়া অভ্যাস করুন

যেটা পড়বেন, সেটা না দেখে লেখার চেষ্টা করুন। লিখে মিলিয়ে নিন যে ঠিক হলো কিনা। ঠিক না হলে আবার লিখুন। কয়েকবার লিখলেই রপ্ত হয়ে যাবে।

৩) আছে বিশেষ সময়

কঠিন কিছু শিখতে হলে নিজেকে জোর করে পড়ার টেবিলে বসাবেন না। শুধুমাত্র তখনই চেষ্টা করুন। যখন আপনি খুব আগ্রহ বোধ করছেন শেখার। নাহলে রাতের বেলায় পড়তে বসুন। যেন পড়া শেষ করেই

জেনে নিন, কানের ব্যথা সহজে দুর করার ঘরোয়া উপায় !

ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ, অ্যালার্জি, ঠাণ্ডা, কানে পানি ঢোকা, দুর্ঘটনায় কানে ব্যথা পাওয়া, ফাঙ্গাস, কানের ভেতরে ব্রণের সমস্যা, কানের কোনো রোগ ইত্যাদি সহ আরও নানা কারণে কানে তীব্র ব্যথা হতে পারে। কানের ব্যথা অনেক যন্ত্রণাদায়ক। এই সময় ভুলেও কানে আঙুল কিংবা অন্য কোনো কিছু অথবা কটন বাড জাতীয় জিনিস ঢোকানো যাবে না। কানের ব্যথা কমাতে ঘরোয়া কিছু চিকিৎসা নিতে পারেন খুব সহজেই। এতে করে খুব দ্রুত কানের তীব্র ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। যদি এতে কাজ না হয় তবে দ্রুত ডাক্তারের শরণাপন্ন হোন।

গরম ভাপ

একটি বোতলে কিংবা হট ব্যাগে গরম পানি নিয়ে অথবা একটি সুতি পাতলা কাপড় গরম পানিতে ভিজিয়ে কানের কাছে চেপে ধরুন। গরম ভাপ কানের ভেতরে গেলে কানের ভেতরে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পাবে। এতে করে কানের ব্যথা উপশম হবে।

রসুন ও তিলের তেল

রসুনের অ্যান্টিবায়োটিক উপাদান কানের ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণের ব্যথা উপশমে কাজ করে। ২ টেবিল চামচ তিলের তেলে ১ চা চামচ থেঁতো করা রসুন ফুটিয়ে নিন ২/৩ মিনিট। রসুন ছেঁকে নিয়ে এই তেল ঠাণ্ডা হতে দিন। তেল ঠাণ্ডা হলে ২/১ ফোঁটা তেল কানের ভেতর দিয়ে দিন। ব্যথা কমে যাবে।

আদা

আদার অ্যান্টিইনফ্লেমেটরি উপাদান দ্রুত কানের ব্যথা উপশমে বেশ কার্যকরী। আদা ছেঁচে নিয়ে এর তাজা রস ২/৩ ফোঁটা কানের ভেতর দিয়ে দিন। ব্যথা উপশম হবে। এছাড়াও আদা থেঁতো করে তিলের তেলে ফুটিয়ে তেল কানের ভেতর

জীবনে সফল হতে চাইলে যা কিছু জানতেই হবে আপনাকে


sunshineজীবনে সাফল্যের জন্য কোন বিষয়টি জানা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ? এর কোনো সহজ উত্তর নেই। তবে ইতিহাস ঘেটে দেখা যায়, কিছু বিষয়ে নজর দেওয়া হলে তা সাফল্যের পথকে উন্মুক্ত করে। এতে বেড়ে যায় জীবনে সাফল্যের সম্ভাবনা। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে বিজনেস ইনসাইডার।
১. অধিকাংশ মানুষ আপনার বিষয়ে লক্ষ্য রাখে না
আপনি নতুন একটি গাড়ি কিনেছেন কিংবা অফিসে একটা প্রমোশন পেয়েছেন, আপনি হয়তো ভাবছেন আপনার আশপাশের মানুষ এসব বিষয়ের বিস্তারিত খবর রাখছে। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন। এসব বিষয় আপনার আশপাশের মানুষ খুব একটা খবর রাখে না।
২. সত্যিকার বন্ধুরা আপনার অর্জন কিংবা অবস্থান নিয়ে মনযোগী হবে না
আপনাকে যারা ভালোবাসে, কিংবা আপনার যারা সত্যিকার বন্ধু তাদের সহজেই চিনতে পারবেন কোনো লক্ষ্য অর্জন করার পর। আপনার ভালো কোনো অর্জনে প্রিয়জনরা অবশ্যই খুশি হবে। কিন্তু যারা আপনাকে ভালোবাসে, সে অর্জনের কারণে আপনার প্রতি তাদের আচরণ পাল্টাবে না।
৩. টাকার জন্য জীবন আপনার সুখ আনবে না
আপনার আগ্রহের বিষয়ে মনযোগ দিন, মানিব্যাগের দিকে নয়। বহু মানুষ আছে যারা বহু পরিশ্রম করে অর্থ সঞ্চয় করলেও সে অর্থ কোনো কাজে ব্যয় করতে পারেন না।
৪. ঋণ নেওয়ার কোনো আবশ্যিকতা নেই
আপনি যদি শিক্ষা বিষয়ে ঋণ নিতে চান, সেক্ষেত্রে বিষয়টি ভিন্ন। কিন্তু শুধু জীবনযাপনের জন্য ঋণ নেওয়ার কোনো প্রয়োজনীয়তা নেই। ঋণের বদলে আপনার বর্তমানে যা আছে, তাই নিয়ে চলাটাই সবচেয়ে ভালো।
৫. তোষামোদ শক্তিশালী বিষয়
কোন ধরনের শব্দ ও ভাষা মানুষকে অনুপ্রাণীত ও খুশী করতে পারে তা লক্ষ্য করুন। এতে অন্য মানুষেরা আপনার কথায় প্রভাবিত হবে। কারো মনোভাব পরিবর্তনে কীভাবে কাজ করতে হবে, সে বিষয়টি লক্ষ্য করতে পারলে আপনার উন্নতি সহজ হবে।
৬. সবার প্রতি আপনার দায়িত্ব রয়েছে, আবার নিজের প্রতিও রয়েছে
মানুষ হিসেবে আপনার দায়িত্ব রয়েছে সবার প্রতি নজর দেওয়ার। আবার নিজের প্রতিও আপনার নজর প্রয়োজন। আপনার নিজের সুখ ও সাফল্যের জন্যও প্রয়োজন এ দায়িত্ববোধ।
জীবনে সাফল্যের জন্য যে ৩০টি বিষয় জানা প্রয়োজন
৭. আশাতীত বিষয়ের জন্য প্রস্তুতি নিন
কোন বিষয়টি কীভাবে কাজ করে, কীভাবে প্রতিষ্ঠান চালানো হয়, সবকিছু জেনে রাখার পরেও অনেক সময় গণ্ডগোল হয়ে যায়। এ কারণে সম্ভাব্য সব বিষয়ের জন্য প্রস্তুতি নিয়ে রাখতে হয়।
৮. নিজের বর্ণনা করার সুযোগ দেবেন না অন্যদের
মানুষ একটি সমাজের অংশ হিসেবেই গড়ে ওঠে। ফলে অন্য মানুষকে নিজের সম্পর্কে বলার সুযোগ দিলে তাতে সঠিক বিষয়টি নাও উঠে আসতে পারে।
৯. প্রয়োজনীয়তার বাইরে যেতে হবে
সাফল্যের জন্য আপনাকে অবশ্যই অন্য মানুষদের চেয়ে বেশি দক্ষতা দেখাতে হবে। আর আপনি যখন শীর্ষে চলে যাবেন তখন নিজের সঙ্গেই প্রতিযোগিতা করুন।
১০. সচেতনতার গুরুত্ব সর্বাধিক
অন্যরা আপনাকে যেভাবে দেখে, সেভাবে নিজের দিকে দেখা সবচেয়ে ভালো। এমন দৃষ্টিতে নিজেকে দেখতে পারলে আপনি অন্যদের সহজেই বুঝতে পারবেন্
১১. আপনার প্রত্যেক কাজেই পূর্বধারণা কাজ করে
আপনার প্রত্যেক সিদ্ধান্তের পেছনে কাজ করে পূর্বধারণা। আপনি যদি এ পূর্বধারণাগুলো সম্বন্ধে সঠিকভাবে জানতে পারেন, তাহলে যে কোনো সিদ্ধান্ত বা ব্যবস্থা গ্রহণের ক্ষেত্রে বাস্তবতার ছোঁয়া পাবেন। এতে সঠিক কাজ করতে সুবিধা হবে।
১২. বর্তমানে গুরুত্ব দেওয়া আপনাকে লক্ষ্যের দিকে নিয়ে যাবে
আপনি যদি মেনে নেন যে, অতীত পার হয়ে গেছে এবং তাকে পরিবর্তন করা যাবে না। আর ভবিষ্যৎকে আপনি নিজের কাজের মাধ্যমে পরিবর্তন করতে পারবেন, তাহলে তা আপনার লক্ষ্য সাধনে সহায়ক হবে।
১৩. ভিন্নধর্মী মানুষেরা আপনাকে সমৃদ্ধ করবে
প্রিয় মানুষদের আপনার আশপাশে সব সময় রাখলে তা আপনার সৃজনশীলতা কমিয়ে দেবে। আর আপনি যদি নতুন দৃষ্টিভঙ্গি চান, তাহলে রাখুন ভিন্ন ধরনের মানুষদের। এতে আপনি দ্রুত বহু বিষয় শিখতে পারবেন।
১৪. বেশি বেশি ভ্রমণ করুন
ভ্রমণ শুধু বহু পথই দেখায় না, এর ফলে আপনি জীবনের নতুন নতুন সম্ভাবনাও আবিষ্কার করতে পারবেন। এটি আপনার মস্তিষ্ক থেকে স্বয়ংক্রিয় চালক দূর করবে এবং সতেজ অবস্থায় কাজে ফিরতে সাহায্য করবে।
১৫. নিজের আগ্রহের বিষয় না পাওয়া পর্যন্ত ঝুঁকি নিতেই হবে
আপনার আগ্রহের বিষয়ে কোনো কাজ যতদিন খুঁজে না পাচ্ছেন, খুঁজতে থাকুন। এজন্য ঝুঁকি নেওয়ার বিকল্প নেই।
১৬. নিজের স্বাস্থ্যের দিকে খেয়াল রাখা অবশ্যপালনীয়
আপনি যদি স্বাস্থ্যগত দিক দিয়ে দুর্বল বা অসুস্থ হন তাহলে ক্যারিয়ারের উন্নতিতে তা বিঘ্ন ঘটাতে পারে। এ কারণে স্বাস্থ্যগত বিষয়গুলোকে উপেক্ষা করার কোনো সুযোগ নেই। অন্যথায় এটি কর্মক্ষমতাও কমিয়ে দিতে পারে।
১৭. আপনার সুনাম রক্ষা করতেই হবে
আপনার সুনাম রক্ষা করা খুবই প্রয়োজনীয় একটি বিষয়। সৎ, বিশ্বাসী ও অন্যের প্রতি দয়ালু থাকা খুবই প্রয়োজনীয়।
১৮. সিদ্ধান্ত গ্রহণে আবেগের ভূমিকা দূর করুন
উদ্বেগ, ভয়, রাগ ইত্যাদি দীর্ঘদিনের অর্জনকে ধূলিস্যাৎ করে দিতে পারে। বড় কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে আপনি যথেষ্ট ঠাণ্ডা মাথায় বিষয়টি ভেবে দেখেছেন, তা নিশ্চিত হয়ে নিন।
১৯. অন্যকে ও নিজেকে ক্ষমা করে দিন
অপরিচিত মানুষ কিংবা প্রিয় মানুষ যে কেউ আপনাকে আঘাত দিতে পারে। এজন্য প্রয়োজনীয় প্রতিক্রিয়া দেখালেও পরে তা ভুলে যাওয়াই ভালো। ক্ষমা না করলে তা উল্টো আপনার ক্ষতির কারণ হবে।
২০. বড় লক্ষ্যের খোঁজ করুন
আপনি আপনার তুলনায় বড় একটি বিশ্বে বাস করেন। এ কারণে কীভাবে সে লক্ষ্যে পৌঁছানো যায়, তার সন্ধান করুন।
২১. জীবন ছোট
সময়ের সদ্ব্যবহার করতে হবে। জীবন ছোট একটি সময়। এ সময়ে তাড়াহুড়া করার কোনো বিকল্প নেই।
২২. বহু বিষয় আপনি জানেন না
আপনার সব বিষয়ে জ্ঞান থাকার কোনো সম্ভাবনা নেই। এ কারণে কোনো কাজে যদি অন্যের সঙ্গে আলোচনা করতে হয়, তাতে লজ্জার কিছু নেই। প্রয়োজনীয় সব সময় অন্যের সঙ্গে আলোচনা করবেন।
২৩. নিজের সঙ্গে সৎ থাকুন
আপনি যদি একজন মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠেন তাহলে সব বিষয় সম্বন্ধেই ধারণা থাকতে হবে। আর এজন্য সততার কোনো বিকল্প নেই।
২৪. সুখ একটি পছন্দ
আপনার আচরণ নিজস্ব একটি সিদ্ধান্ত। সুখী ও ইতিবাচক হতে পারলে তা আপনার পক্ষে যে কোনো পরিস্থিতিতেই সাফল্য অর্জন করা সহজ হবে।
২৫. আত্মবিশ্বাস আপনাকে এগিয়ে নেবে
আপনি যদি আত্মবিশ্বাসী হন তাহলে অন্যেরাও আপনাকে বিশ্বাস করবে। আর নিজের প্রতি যদি আপনার বিশ্বাস না থাকে তাহলে অন্যরা বিশ্বাস করতে ভরসা পাবে না। ফলে আপনার এগিয়ে যাওয়ার জন্য এটি প্রয়োজনীয়।
২৬. প্রত্যেকেই চিন্তিত থাকে
সবাই পতনের ভয়ে ভীত থাকে। এ কারণে তাদের ভয়কে কাজে লাগাতে পারলে আপনার পক্ষে সাফল্য পাওয়া সহজ হতে পারে।
২৭. যে কেউ আঘাত পেতে পারে
মাত্রাভেদে সবাই সংবেদনশীল। এ কারণে সবার প্রতি দয়ালু থাকা উচিত। সামান্য ইশারাও কাউকে খুশী বা অসন্তুষ্ট করতে পারে।
২৮. কোনোকিছুই নিখুঁত নয়
পৃথিবী সিনেমা নয়, বাস্তব। আর বাস্তবে ভালো মানুষেরা সব সময় বিজয়ী হয় না। আপনার যা আছে, তা নিয়েই সুখী হন। এতে আপনি শক্তিশালী ও সুখী হবেন।
২৯. অন্যদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগান
হিরোদের থেকে অভিজ্ঞতা সংগ্রহ করুন। তাদের পরামর্শ গ্রহণ করুন। এতে আপনার কাজ অনেক সহজ হয়ে যাবে।
৩০. সাফল্যের ক্ষেত্রে ভাগ্যের ভূমিকা সবচেয়ে কম
আপনি যদি সফল হতে চান তাহলে ভাগ্যের দিকে তাকিয়ে থাকলে চলবে না। এজন্য আপনার প্রচেষ্টাই ভাগ্য তৈরি করবে।

যে ৫টি “পরোক্ষ” উপায়ে ভালোবাসা প্রকাশ করেন পুরুষেরা !

image_90987_0
‘আমি তোমাকে ভালবাসি’ এই কথাটি কি সব সময়েই মুখে বলতে হয়? কেউ হয়তো বলবেন যে মুখে না বললে কিভাবে বুঝবেন ভালোবাসার কথা! কিন্তু আপনি কি জানেন ভালোবাসার কথা মুখে উচ্চারণ না করেই প্রকাশ করা যায় ভালোবাসা। দুটি হৃদয়ের টান থাকলে কোনো শব্দ প্রয়োগ ছাড়াই বুঝে নেয়া যায় ভালোবাসার গভীরতাটুকু।
নারীরা ভালোবাসা প্রকাশের ব্যাপারে পটু হলেও পুরুষরা সহজে ভালোবাসার কথা মুখে বলতে চায় না। তাদের কাজে ও আচরনে প্রকাশ পায় ভালোবাসা। মুখে ভালোবাসা প্রকাশ না করে এভাবে ভালোবাসা প্রকাশ করা হলো পরোক্ষ উপায়। জেনে নিন ৫টি পরোক্ষ উপায়ের কথা যেগুলো প্রকাশ করে পুরুষের ভালোবাসা।
আপনার আশেপাশেই থাকে সবসময়
আপনাকে যেই পুরুষটি পছন্দ করেন তিনি বেশিরভাগ সময়ে আপনার আশেপাশেই থাকতে চাইবেন। আপনি কোথাও গেলে তিনি সঙ্গে যেতে চাইবেন আপনার। সব সময়ে আপনার সান্নিধ্যে থাকার জন্য নানান রকম চেষ্টা করবেন তিনি। এটাই তার ভালোবাসা প্রকাশের ভাষা।
বাধ্য ছেলের মত আপনার কথা শোনে
আপনাকে যে পুরুষ ভালোবাসেন তিনি বাধ্য লক্ষ্মী ছেলের মত আপনার কথা শুনবেন। আপনি যদি ঘুমাতে বলেন তাহলে তিনি ঘুমিয়ে পড়বেন, আপনি যদি তাকে বেশি করে পানি খেতে বলেন তাহলে তিনি বাধ্য ছেলের মত পানি খাবেন। আপনার আদেশ নির্দেশ গুলো বাধ্য ছেলের মতে মেনে নিবেন তিনি। এমনকি মাঝে মাঝে আপনার কাছে নানান বিষয়ে পরামর্শও চাইবেন তিনি।
সে বলে তার বন্ধুরা আপনাকে পছন্দ করে
অনেক পুরুষই সরাসরি ভালোবাসার কথা বলতে পারেন না। যারা নিজেরা সরাসরি ভালোবাসার কথা বলতে পারেন না তাঁরা অনেক সময় বলেন যে ‘আমার বন্ধুরা তোমাকে খুব পছন্দ করে’ কিংবা ‘আমার পরিবার তোমাকে খুব পছন্দ করে’। এমনকি কেউ কেউ বলেন ‘বন্ধুরা বলেছে তোমার সাথে নাকি আমাকে বেশ মানায়’। .এভাবে পরোক্ষভাবে ভালোবাসা প্রকাশ করে পুরুষরা।
কোনো কারণ ছাড়াই আপনাকে ফোন বা মেসেজ দেয়
কোন কারণ ছাড়াই গভীর রাতে কি আপনার ফোনে মেসেজ আসে ‘কি করো?’ কিংবা ‘ঘুম আসছে না’? কিংবা মাঝে মাঝেই উদ্দেশ্য ছাড়াই ফোন করেন শুধু কিছুক্ষন কথা বলার জন্য? যদি এমন হয়ে থাকে তাহলে সেটা সেই পুরুষটির ভালোবাসা প্রকাশের পরোক্ষ উপায়। আপনার কন্ঠ শোনার জন্য এবং আপনার সাথে যোগাযোগ করার জন্য এরকম উদ্দেশ্যহীন মেসেজ কিংবা ফোন দেয় সে।
আপনার পছন্দকে প্রাধান্য দেয় সবসময়
আপনাকে যেই পুরুষটি ভালোবাসে সে সবসময়েই আপনার পছন্দকে প্রাধান্য দিবে। আপনি যেই রঙ ভালোবাসেন সেই রঙের পোশাক পড়তে চাইবে সে। কিংবা কেনা কাটার সময় আপনার পছন্দকেই বেশি গুরুত্ব দিবে সে সব সময়ে। এটা তার ভালোবাসা প্রকাশের একটি পরোক্ষ উপায়।

প্রথমবার অন্তরঙ্গ মুহূর্তের প্রস্তুতি নিতে প্রায় ৬ ঘন্টা সময় নেন নারীরা


Young couple with rose, outdoorsনতুন এক সমীক্ষাতে উঠে এসেছে, সঙ্গীর সঙ্গে প্রথমবার শারীরিক সম্পর্কে  লিপ্ত হওয়ার আগে কমপক্ষে ছয় ঘণ্টা প্রস্তুতি নেয় নারীরা। এ প্রস্তুতির মধ্যে থাকে ফেসিয়াল, স্প্রে, ট্যান ও ও ব্লো ড্রাই। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে হিন্দুস্তান টাইমস।
অন্তর্বাস ব্র্যান্ড ব্লুবেলা পরিচালিত ওই জরিপে দেখা গেছে, নারীরা নতুন সঙ্গীর সঙ্গে কোনো রাত কাটানোর আগে বিভিন্ন ধরনের রূপচর্চা করেন। এজন্য রূপচর্চার পেছনে পরিকল্পনা ও চর্চায় মোট ছয় ঘণ্টা ব্যয় করেন তারা।
জরিপে উঠে এসেছে, প্রথম যৌনতার আগে এক তৃতীয়াংশ নারী ফেসিয়ায় করেন, ৩২ ভাগ নারী ট্যানিং স্প্রে করেন এবং ৭৬ ভাগ নারী তাদের চুলের প্রফেশনাল হেয়ারস্টাইল করেন।
এ ছাড়াও যৌনতার আগে অনেক নারী ওয়াক্সিং করে থাকেন। ৫৩ ভাগ নারী জানিয়েছেন তারা ওয়াক্সিং করেন।
জরিপে আরও উঠে এসেছে, ৭৪ ভাগ নারী বলেছেন তারা ব্রেড বাস্কেট ও কার্বহাইড্রেট জাতীয় খাবার বাদ দিতে চান। এর উদ্দেশ্যে তাদের পেট যেন মোটা দেখা না যায়।
এ ছাড়াও তারা যখন একটি রাত সঙ্গীর সঙ্গে কাটানোর সিদ্ধান্ত নেন তখন সেটি যেন ভালোভাবে কাটে তার ব্যবস্থা করার জন্য সব প্রতিবন্ধকতা দূর করার চেষ্টা করেন। এ কারণে ১৯ ভাগ নারী জানান, তারা সঙ্গীর অ্যালকোহল গ্রহণের মাত্রাও ওপরও নজর রাখেন।
ব্লুবেলার উদ্যোগে প্রায় এক হাজার নারীর ওপর এ জরিপ করা হয়েছে।

চুলকে রাখুন চিরকাল খুশকি মুক্ত খুব সহজে!


sdggsdgখুশকির সমস্যা চুলের জন্য সব চাইতে বড় একটি সমস্যা। কারণ খুশকি থেকেই চুলের নানা সমস্যার সৃষ্টি হওয়া শুরু হয়। খুশকির সমস্যা থেকে শুরু হয় চুল পড়া, চুল রুক্ষ হয়ে যাওয়া, উকুনের সমস্যা, চুলের আগা ফাটা ইত্যাদি। কারণ খুশকির কারণে চুলের গোঁড়ায় পুষ্টি পৌছুতে পারে না। আপনি চুলের যত্নে যাই ব্যবহার করুন না কেন এই খুশকির কারণে চুল ভেতর থেকে পুষ্টি পায় না। তাই সবার প্রথমে খুশকি মুক্ত করতে হবে চুলকে।
হালকা পাতলা খুশকিকে অনেকেই অবহেলা করেন। কিন্তু অবহেলা করবেন না। কারণ সামান্য অবহেলা থেকেই খুশকির সমস্যা বাড়তে থাকে। এতে করে চুলের স্থায়ী ভাবে ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দেয়। তাই খুশকি দেখতে পেলেই নির্মূল করতে সচেষ্ট হতে হবে আমাদের।
বাজারে অনেক ধরণের শ্যাম্পু পাওয়া যায় যা খুশকি দূর করে। কিন্তু এই সকল শ্যাম্পুতে যে ধরণের কেমিক্যাল ব্যবহার করা হয় তা চুলের মারাত্মক ক্ষতি করে। তাহলে কি করা যায় ভাবছেন? প্রাকৃতিক উপায়ে ঘরেই খুশকি দূর করে ফেলুন খুব সহজে। চলুন তবে দেখে নেয়া যাক কিভাবে তৈরি করবেন খুশকি দূর করতে কার্যকরী হেয়ার মাস্ক।
উপকরণ
২ টেবিল চামচ বেকিং পাউডার
১ কাপ গরম পানি
১ টেবিল চামচ ভিনেগার
২ টেবিল চামচ পুদিনা পাতার রস
পদ্ধতি
একটি বাটিতে গরম পানিতে প্রথমে বেকিং পাউডার করে গুলিয়ে নিন। দেখবেন যেন কোনো দলা না থাকে। এরপর এতে ভিনেগার দিয়ে খুব ভালো করে মেশান। এরপর তাজা পুদিনা পাতা নিয়ে এর রস বের করে নিয়ে তা মিশ্রণে দিয়ে খুব ভালো করে মেশান। মেশানো হয়ে গেলে আলাদা করে সরিয়ে রাখুন ঠাণ্ডা হওয়ার জন্য। গোসলের সময় এই মিশ্রণটি চুলের গোঁড়ায় মাথার ত্বকে ভালো করে লাগাবেন খুব ভালো করে। সপ্তাহে মাত্র ২ বার নিয়মিত ব্যাবহারে খুশকি দূর হবে খুব সহজে। চুল হবে স্বাস্থ্যউজ্জ্বল

চিরকাল যৌবনের সৌন্দর্য ধরে রাখার ৫টি গোপন সূত্র

bino_taroka
 আমরা পৃথিবীতে আর কতদিন? বাঁচি খুব বেশি হলে ১০০ বছর। ১২ বছরের পর থেকে কৈশোরে পা দেই আর কৈশোরের হাত ধরে আসে যৌবন। যৌবন থাকে খুব বেশি হলে ৪০ বছর পর্যন্ত। বয়সের সাথে সাথে আমাদের চেহারায় পড়ে বয়সের ছাপ। কোনোভাবে আমরা তা রোধ করে রাখতে পারি না। কিন্তু আমরা সকলেই চাই চিরজীবন যেন আমাদের তরুণ দেখায়, যেন অক্ষয় হয় যৌবন। কীভাবে চিরকাল ধরে রাখবেন যৌবন? আসুন, জেনে নেই সেই গোপন সূত্র।
১. প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন :
মানবদেহের ৬০ শতাংশই পানি। দেহে পানির পরিমাণ কমে গেলে বিভিন্ন অসুস্থতা দেখা দেয়। একজন সুস্থ মানুষের প্রতিদিন কমপক্ষে ৮ গ্লাস পানি খাওয়া প্রয়োজন। তবে এর বেশি হলে আরও ভালো। দেহে প্রচুর পরিমাণে পানি সরবরাহ হলে দেহের ভেতরের বিভিন্ন শিরা উপশিরা ভালোভাবে কাজ করতে থাকে। বিশেষ করে এটি হজমক্রিয়াকে সহজ করে তোলে। এছাড়া এটি ত্বকের নমনীয়তা, স্পন্দনশীলতা রক্ষা করে, দেহের দূষিত পদার্থ নিঃসরণ করে, অনিদ্রা দূর করে।
২. চাপ কমানো :
প্রতিটি মানুষেরই জীবনে বিভিন্ন ধরনের মানসিক এবং শারীরিক চাপ থাকে। এই ধরনের চাপ যেকোনো উপায়ে কমানো উচিৎ। গবেষণায় দেখা গেছে মানসিক চাপ দেহের উপরে আঘাত হানে, হরমোন শুকিয়ে ফেলে এবং কোষ তৈরিতে বাঁধা দিয়ে থাকে। অনেক পদ্ধতি রয়েছে এই মানসিক চাপ থেকে নিজেকে মুক্ত রাখার। এর জন্য বিভিন্ন শারীরিক ব্যায়ামের মাধ্যমে চিন্তা ভাবনার পরিবর্তন আনা যেতে পারে। শারীরিক ব্যায়াম, গভীরভাবে শ্বাস প্রশ্বাস নেয়া, মেডিটেশন করা এই ধরনের মানসিক চাপ থেকে মুক্ত করে। এর ফলে মস্তিষ্কে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক হয়, দেহে রক্ত সঞ্চালন ভালো হয় এবং শরীরের শক্তি বেড়ে যায়। এর ফলে তারুণ্য ফুটে ওঠে।
৩. ফ্রুট ফেসিয়াল করুন :
চিরতরুণ দেখাতে আপনি আপনার পছন্দমত মুখে ফ্রুট ফেসিয়াল করতে পারেন। মুখে পেঁপের মিক্স লাগাতে পারেন। পেঁপেতে থাকা এনজাইম যেটিকে পাপাইন বলে এটি ত্বকের মরা চামড়া তুলে ফেলে এবং মেলানিনের পরিমাণ কমিয়ে দেয়। এছাড়া স্ট্রবেরীর খন্ড অংশ মুখে ঘষলে বিটা ক্যারোটিন তৈরি করে এবং কোলাজেন তৈরিতে ভিটামিন এ সরবরাহ করে। প্রাকৃতিক এ্যালোভেরা ত্বকের নতুন কোষ তৈরিতে সহায়তা করে, মুখের বিভিন্ন দাগ দূর করে এবং পরিচ্ছন্নতা আনে। এই ধরনের প্রাকৃতিক নির্যাস ত্বকে শীতলতা এবং নমনীয়তা ফিরিয়ে আনে এবং চিরতরুণ থাকতে সহায়তা করে।
৪. নিয়মিত ব্যায়াম :
আপনি যদি নিজেকে চিরতরুণ দেখাতে চান তাহলে অবশ্যই একটা নিয়ম করে শারীরিক ব্যায়াম করবেন। আপাতদৃষ্টিতে শারীরিক ব্যায়াম ত্বকের প্রাঞ্জলতা ফিরিয়ে আনার এক অতুলনীয় পদ্ধতি। পেশীর কাজ সহজ করে তোলে এই শারীরিক ব্যায়াম। সাধারণত বয়স হয়ে গেলে শরীর সেভাবে কাজ করে না। কিন্তু একমাত্র শারীরিক ব্যায়াম শরীরের নমনীয়তা এবং কমনীয়তা বজায় রাখে। এটি হার্টের সমস্যাকের নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং সজীব ও প্রাণবন্ত দেখাতে সহায়তা করে। শারীরিক ব্যায়াম রক্ত চলাচলকে স্বাভাবিক রাখে যেটি মস্তিষ্ককে সচল রাখে। সবচেয়ে সুবিধাজনক শারীরিক ব্যায়াম হল প্রতিদিন নিয়ম করে হাঁটা।
৫. স্বাস্থ্যসম্মত খাবার :
চিরতরুণ দেখাতে একটি সুষম খাদ্য তালিকা তৈরি করতে পারেন যেখানে বেশিরভাগ খাদ্যের মধ্যে থাকবে ফলমূল এবং সবজি। গরুর মাংসসহ বিভিন্ন মাংস থেকে দূরে থাকাই ভালো এবং সম্ভব হলে সামুদ্রিক কোনো খাবার খাদ্যতালিকায় অন্তর্ভূক্ত করতে পারেন। পাউরুটি এবং শস্যদানা জাতীয় খাবারকে বিদায় দেয়া চিরতরুণ থাকার ক্ষেত্রে ইতিবাচক ফল এনে দেবে। ফলমূল এবং সবজি জাতীয় খাবার দেহে এন্টি-অক্সিডেন্টের যোগান দেবে যা বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। স্বাস্থ্যসম্মত খাবার ত্বকের পুষ্টি যোগাতে সহায়তা করে এবং ঔজ্জ্বলতা ধরে রাখে। ফলে চিরতরুণ দেখাতে সহায়তা করে।

যে ১০টি কারণে প্রিয় মানুষটি এড়িয়ে চলতে পারে আপনাকে!


মাঝে মাঝে কি আপনার মনে হয় যে প্রিয় মানুষটি আপনাকে কিছুটা এড়িয়ে চলছে? আগের মত আর নেই আর আপনার সঙ্গী? আগে যতটা গুরুত্ব দিতেন তিনি আপনাকে, এখন আর দেন না তিনি। কোথায় যেন হারিয়ে গিয়েছে সম্পর্কের সেই মধুরতা। দুজনের মধ্যে অনেক দূরত্ব সৃষ্টি হয়েছে।
কিন্তু কেন এড়িয়ে চলছেন আপনার সঙ্গী আপনাকে? আসলেই এড়িয়ে চলছেন নাকি পুরোটাই আপনার ভুল ধারণা! কিংবা কী কী কারণে প্রিয় মানুষটি এড়িয়ে চলা শুরু করতে পারে আপনাকে?
সম্পর্কের একটা ধাপে এসে এমন মনে হতেই পারে যে আপনার সঙ্গী আপনাকে এড়িয়ে চলা শুরু করছেন। আর স্বাভাবিক ভাবেই এরকম পরিস্থিতিতে আপনার মনে প্রশ্ন জাগবে যে কেন এড়িয়ে চলছেন আপনার সঙ্গী আপনাকে। জেনে নিন ১০টি সম্ভাব্য কারণ সম্পর্কে যেগুলোর কারণে আপনার সঙ্গী আপনাকে এড়িয়ে চলছেন।
১) আপনার সঙ্গী আপনার প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলছে ক্রমশ। প্রেমের প্রথম দিকে আপনার প্রতি তার যতটুকু আগ্রহ ছিলো এখন আর ততটুকু নেই।
aedfafg
২) আপনি তাকে কখনোই বোঝেন না। তিনি যতবারই আপনার কাছে নিজেকে প্রকাশ করেন,আপনি ততবারই থাকে ভুল বোঝেন। 
আর তাই সে আপনাকে এড়িয়ে চলছে।
৪) সম্পর্কটা তার কাছে একঘেয়ে হয়ে গিয়েছে। আগের মত আগ্রহ পাচ্ছেন না তিনি।
৫) আপনার কাছে তার প্রত্যাশা অনেক বেশি ছিলো যা পূরণ হয়নি। আর তাই তিনি হতাশ হয়ে সম্পর্কের প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছেন।
৬) আপনার সঙ্গী হয়তো আপনার সাথে প্রতারণা করছে। অন্য কোনো একটি সম্পর্কে জড়ানোর কারণে আপনাকে এড়িয়ে চলছেন আপনার সঙ্গী।
৭) ভালোবাসার অসমতার কারণেও আপনার মনে হতে পারে আপনার সঙ্গী আপনাকে এড়িয়ে চলছে। আপনি হয়তো আপনার সঙ্গীকে অনেক বেশি ভালোবাসেন। আর তাই আপনার কাছে সবসময়েই মনে হয় আপনার সঙ্গী আপনাকে কম ভালোবাসেন এবং আপনাকে এড়িয়ে চলেন।
৮) ভালোবাসা প্রকাশের ধরনটাও এক এক জনের ক্ষেত্রে এক এক রকম। আপনি ভালোবাসা প্রকাশ করতে পারলেও আপনার সঙ্গী হয়তো পারেন না। আর তাই আপনার কাছে মনে হয় আপনার সঙ্গী আপনাকে এড়িয়ে চলেন।
৯) ব্যস্ততা একটি বড় কারণ হতে পারে সম্পর্কের দূরত্ব সৃষ্টির ক্ষেত্রে। আপনার সঙ্গী হয়তো আসলেই অনেক বেশি ব্যস্ত নিজের ক্যারিয়ার বা পড়াশোনা নিয়ে। আর তাই আপনাকে আগের মত সময় দিতে পারছেন না।
১০) আপনার সাথে তার সম্পর্কের পেছনে হয়তো কোনো উদ্দেশ্য ছিলো। তার উদ্দেশ্য সফল হয়ে গেলে অথবা উদ্দেশ্য সফল করা সম্ভব না হলে আপনাকে এড়িয়ে চলতে পারে আপনার সঙ্গী।

নারীর যে ৭ টি বিষয় পুরুষদের আকর্ষণ করে !


সমবয়সী নারী পুরুষের মাঝে আকর্ষণ বিষয়টা থাকা খুবই স্বাভাবিক। প্রকৃতিগতভাবেই তারা একে অপরের প্রতি আকর্ষিত হন। একজন নারীর শুধু সৌন্দর্যটাই পুরুষের আকর্ষণ তৈরি করে না। বরং আরও কিছু বিষয় রয়েছে যেগুলো একজন নারীর প্রতি পুরুষদেরকে আগ্রহী করে তোলে। এবং সত্যি বলতে কি, সেই বিষয়গুলো না থাকলে কেবল সৌন্দর্য কখনোই একজন রুচিশীল পুরুষের মন জয় করতে পারে না।
১. হাসি :
নারীদের হাসি খুবই স্বাভাবিক একটা বিষয় যা পুরুষের মন জয় করার জন্য যথেষ্ট। নারীরা খুব রহস্যজনকভাবে হাসতে পারে। আর সেটি একজন পুরুষকে করে তুলতে পারে অধীর। নারীর সেই রহস্যময়ী হাসিটি দেখতেই তার ভালো লাগে। আর মুগ্ধ সেই পুরুষটির তখন প্রথম কথাই থাকে “তোমার হাসি অনেক সুন্দর”।
২. সৌন্দর্য :
এটা অবশ্যই স্বীকার করতেই হবে যে প্রত্যেক নারীই আপন স্বীয় সৌন্দর্যে মোহনীয়। অনেক কালো একটা মেয়ের মধ্যেও নিজস্ব কোনো মোহনীয় সৌন্দর্য লুকিয়ে থাকতে পারে। আর সেই মোহনীয় সৌন্দর্যই যেকোনো পুরুষকে করে তুলতে পারে মনমুগ্ধ। বাড়িয়ে দিতে পারে তার প্রতি আকর্ষণ।
৩. বাচন ভঙ্গি :
একজন নারী খুব সুন্দরভাবে একটি কাজ করতে পারেন আর তা হলো গুছিয়ে কথা বলা রপ্ত করে ফেলা। আর তার সেই কথা বলার ভঙ্গিই মুগ্ধ করে ফেলেতে পারে একজন পুরুষকে। নারীরা বেশিরভাগ সময়েই বেশ গুছিয়ে কথা বলেন। এর ফলে নারীদের কথা পুরুষদের কাছে মনে হয় যেন মধুমাখা। ফলে আকর্ষণবোধ করতে পারে।
৪. চুলের ধরণ :
একটি নারীর সকল সৌন্দর্যই যেন লেগে থাকে তার চুলের বাঁধনে। নারীটি চুল বেঁধে রাখুক বা খুলে রাখুক হালকা বাতাসে চুলের দোদুল্যমানতা দেখতে প্রত্যেক পুরুষেরই বেশ ভালো লাগে। নারীর ঝলমলে চুল সব পুরুষের পছন্দ।
৫. সরলতা :
নারী শব্দটির সাথে সরলতা শব্দটি যেন ওতপ্রোতভাবে জড়িত। নারী মানেই যেন সরল হবে। আর এই সরলতাই প্রত্যেক পুরুষের তার প্রতি আকর্ষণ বাড়িয়ে দেয়। একজন নারী যদি কুটিল ও হিংস্র প্রকৃতির হয় তাহলে তার প্রতি কোনো পুরুষেরই আকর্ষণবোধ হবে না। পুরুষরা এমন নারীর প্রতি আকর্ষণবোধ করে যে হবে সরল এবং মায়াবতী।
৬. ছেলেমানুষি ভাব :
অনেকের নারীর মাঝেই ছেলেমানুষি ভাব থাকে। এই ছেলেমানুষি ভাবই আকর্ষিত করে তোলে একজন পুরুষকে।
৭. চোখের ভঙ্গি :
আরেকটি বিষয়ে একজন পুরুষ একজন নারীর প্রতি আকর্ষণবোধ করতে পারেন। সেটি হল তার চোখের ভঙ্গি বা চোখের ভাষা। একজন নারীর চোখে অনেক ভাষা থাকে। আর পুরুষরা সেই ভাষা পড়তে খুব ভালোবাসেন। এভাবেও একজন পুরুষ একজন নারীর প্রতি আকর্ষিত হতে পারেন।

যে কারণে মেয়েদের সেক্স ছেলেদের চেয়ে বেশি!! [ভিডিওসহ]


আমি সত্যি কথাটাই বলছি। জীবনে প্রথম যখন সেক্স করি, তখন কল্পনায় যখন ভেবেছিলাম তেমন উত্তেজনাকর মনে হয়নি। তারপর একদিন অন্য একজনের সঙ্গে হঠাৎ করেই এ কাজটি হয়ে যায়। তখন ব্যাপারটি দারুণ উত্তেজনাকর ও আবেগময় ছিলো। এটা কী সঙ্গী পরিবর্তনের জন্য হয়েছে, নাকি তাকে আমার বেশি ভালো লেগেছিল? আমি জানি না।

প্রচণ্ড আবেগের সঙ্গে কাজটি না করা গেলে একদম ভালো লাগে না, এভাবে যৌনতা নিয়ে নিজের মনোভাব প্রকাশ করলেন ২৪ বছরের এক মার্কিন তরুণী। মূলত ছেলেদের চেয়ে মেয়েদের কাছে সেক্স  অনেক গভীর আবেদনের এবং আবেগময় বিষয়। এর পেছনের কারণ উদ্ভাবনের চেষ্টা করেছেন গবেষকরা।
সম্পর্কের বাঁধন
নরের সঙ্গে নারীর সম্পর্কের নানা স্তর রয়েছে। সম্পর্কের দীর্ঘসূত্রিতা নির্ভর করে তাদের মধ্যকার নানা আবেগীয় লেনদেনের ওপর। নারী তার সঙ্গীর প্রতি চরমভাবে দুর্বল হয়ে তাকে নিজের জীবনের অংশ করতে যৌনতায় লিপ্ত হয়। নিজের কামনা বাসনা এবং যাবতীয় সবকিছু নারী উজাড় করে দেয় সঙ্গীর কাছে। কিন্তু নতুন পুরুষের কাছে নানা দ্বিধা-দ্বন্দ্বে থাকেন নারীরা। তাই একেবারে আপন করে নিতেই নারীরা সঙ্গম করেন।
সম্পর্ক বিষয়ক সুসান কুলিয়াম বললেন, পশ্চিমে তত্ত্বীয়ভাবে যেকোনো নারী যেকোনো পুরুষের সঙ্গে সেক্স করতে পারেন। অনেকে তা করেন। কিন্তু আমরা এখনো জানিনা এই নারীদের কী দৃষ্টিভঙ্গীতে দেখা উচিত। নারীদের মধ্যে যৌন উত্তেজনা রয়েছে, তবে অতিমাত্রায় নয়। যার রয়েছে তিনি মানসিকভাবে অসুস্থ। তবে একজন পুরুষকে ভালোবেসে তার সঙ্গে জুটি গড়ার ক্ষেত্রে যৌনতা উপভোগ্য হয়ে ওঠে নারীর কাছে।

প্রেমে প্রত্যাখানের কিছু বিচিত্র তথ্য,জানা দরকার আপনারও


প্রত্যাখ্যান ব্যাপারটাই এমন, যত কঠিন মানুষই হোক না কেন, প্রিয়জনের প্রত্যাখ্যান তার সহ্য হয় না মোটেই। প্রেমে প্রত্যাখ্যাত হবার পর মানুষ ভেঙে পড়ে খুব সহজেই। শুধু প্রেম নয়, অন্যান্য ক্ষেত্রেও প্রত্যখ্যানের কষ্ট মানুষকে অনেকদিন ধরে বয়ে বেড়াতে হয়। এটা এমন এক ক্ষত, যা অনেকে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত বয়ে বেড়ায়। এই প্রত্যাখ্যান আমাদের মনের মাঝে যেভাবে আঘাত করে, তেমনি আমাদের চিন্তাভাবনা এবং “শরীরের” ওপরেও রাখে অদ্ভুত কিছু প্রভাব। দেখে নিন প্রত্যাখ্যানের এমনই কিছু অদ্ভুত বৈশিষ্ট্য।

১) প্রত্যাখ্যানের কষ্ট অনেকটাই শারীরিক কষ্টের মত

শারীরিকভাবে ব্যথা পেলে আমাদের মস্তিষ্কের যেসব অংশ উদ্দীপিত হয়, প্রত্যাখ্যানের কষ্টেও মস্তিষ্কের ঠিক সেসব অংশই উদ্দীপিত হয়। এ কারণে প্রত্যখ্যাত হলে মানুষ এতোটা কষ্ট পায়।


২) পেইন কিলারে কমে প্রত্যখ্যানের কষ্ট

ব্যথা আর প্রত্যাখ্যানের কষ্টের মাঝে এতোটাই মিল যে, টাইলেনলের মতো পেইন কিলার খেলে প্রত্যখ্যানের কষ্ট কমে যায়। ডাক্তাররা ব্যাপারটা পরীক্ষা করার জন্য কিছু মানুষকে টাইলেনল খেতে দেন এবং তাদের জীবনের বিষাদময় প্রত্যখ্যানের স্মৃতি মনে করতে বলেন। দেখা যায় যারা

পুরুষের পছন্দের তালিকায় সবচেয়ে এগিয়ে লাজুক প্রকৃতির মেয়েরা


lajuk-meyeলাজুক নারীদের বলছি, আপনি যদি লজ্জাবতী হয়ে থাকেন তবে আপনার এই গুনটিই আশেপাশের পুরুষদের কাছে আপনাকে কাঙ্ক্ষিত করে তুলতে পারে। প্রচলিত আছে, চটপটে বাকপটু নারীদের পুরুষরা বেশি পছন্দ করে। নরম স্বভাবের নারীদের পুরুষরা কম পছন্দ করে। তবে অবাক করা বিষয় হচ্ছে জীবন সঙ্গী হিসেবে বেশিরভাগ পুরুষ আসলে লাজুক মেয়েদেরই বেশি পছন্দ করে।
কারণ হিসেবে নিচের বিষয়গুলো একটু চোখ বুলিয়ে নিন:
নমনীয়তা: পুরুষ একজন নারীকে তার শান্ত এবং নমনীয় স্বভাবের জন্য বেশি পছন্দ করে। নারীর নমনীয় স্বভাব তাকে আকর্ষণীয় করে তোলে।
একজন নমনীয় স্বভাবের নারী উচ্চ স্বরে চিৎকার, গলাবাজি করেনা। ঘরের বাইরে নমনীয় স্বভাবের পরিচয় দেয় তখন তাকে অনেক বেশি কোমল করে তোলে। একজন নারীর শারীরিক অঙ্গভঙ্গি, কথা বলার ধরণ, চোখের নরম চাহনি পুরুষকে আকর্ষণ করার হাতিয়ার হতে পারে।

যে ছোট্ট কাজগুলো আপনাকে দেবে ভালো স্বাস্থ্য ও চির যৌবনের নিশ্চয়তা !


আমরা সকলেই জানি স্বাস্থ্য সব কিছুর মূলে। স্বাস্থ্যের ওপর আমাদের জীবনের প্রায় পুরো অংশটাই নির্ভরশীল। স্বাস্থ্য ঠিক তো সব ঠিক। গবেষণায় দেখা যায় যারা সুস্বাস্থ্যের অধিকারী তারা সকল দিক থেকে অন্য সকলের থেকে এগিয়ে থাকেন। স্বাস্থ্য ভালো না থাকলে মন মেজাজ ভালো থাকে না, কোনো কাজে উৎসাহ আসে না। জীবনটা কেমন যেন নিস্তেজ হয়ে আসে।
স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে তাই আমাদের চেষ্টার সীমা নেই। আমরা সকলেই সুস্বাস্থ্য কামনা করি। সকলেই চাই যতদিন জীবিত আছি ভালো এবং সুস্থ শরীরে থাকতে। তবে কেবল ভালো স্বাস্থ্য নয়, সাথে যৌবনটাও ধরে রাখা চাই। ভালো স্বাস্থ্যের সাথে অক্ষয় যৌবন, তবেই না জীবন আনন্দময়। কিন্তু নিজের যৌবন ও স্বাস্থ্যকে ঠিক রাখতে আমাদেরই সচেষ্ট হতে হবে। করতে হবে প্রয়োজনীয় কিছু কাজ। আর এতেই স্বাস্থ্য থাকবে ভালো সারাজীবন। একই সাথে অটুট থাকবে যৌবনের দিপ্তি ও সৌন্দর্য। এক কথায় অনন্ত যৌবন ধরা দেবে হাতের মুঠোয়।
ভালো খাদ্যাভ্যাস
স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে সঠিক খাদ্যাভ্যাসের বিকল্প নেই। খাবার আমাদের দেহের সকল কিছু নিয়ন্ত্রণের মূলে। খাবারের মাধ্যমে আমরা পাই দেহ পরিচালনা করার প্রয়োজনীয় এনার্জি। দেহের প্রত্যেকটি অঙ্গপ্রত্যঙ্গের সঠিক পরিচালনার জন্য প্রয়োজন ভালো খাদ্যাভ্যাস। পরিমিত পরিমাণে এবং বয়স অনুযায়ী সকল খাদ্যউপাদান প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় প্রত্যেকের থাকা উচিৎ। এতে স্বাস্থ্য থাকবে ভালো। ফাস্ট ফুড এবং বেশি ফ্যাট জাতীয় খাবার, অ্যালকোহল, ধূমপান থেকে দূরে থাকুন।
নিয়মিত ব্যায়াম
প্রতিদিন অন্তত ১৫-২০ মিনিটের ব্যায়াম আপনার দেহকে চিরকাল সুস্থ রাখার জন্য যথেষ্ট। ব্যায়ামের ফলে আমাদের দেহে রক্ত সঞ্চালনের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। এতে করে আমাদের মস্তিষ্ক, হৃদপিণ্ড, লিভার ও কিডনি সতেজ থাকে। এবং স্বাভাবিক কার্যক্রম সঠিক ভাবে করতে সহায়তা করে। যতো ব্যস্ততাই থাকুক

জেনে নিন ১০টি কৌশলে প্রতিদিন বাঁচবে আপনার সময়!


নিউজ ডেস্ক : আমাদের জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হল সময়। কথায় আছে, সময় একবার অতিবাহিত হয়ে গেলে তা আর কোনোদিন ফিরে আসে না। একটি দিন সম্পূর্ণ হয় ২৪ ঘণ্টায়, আর একটি সপ্তাহে পাওয়া যায় ১৬৮ ঘণ্টা। আমরা আমাদের জীবনের এই মূল্যবান সময়গুলো নানাভাবে অতিবাহিত করি। কেউ কেউ এই মহামূল্যবান সময়গুলো পার করেন জীবনের সাথে জড়িত কিছু গঠনমূলক কাজ করে যা তার ভবিষ্যত জীবনে এনে দেয় অনাবিল এক সুখ। আর কেউ কেউ এই সময়গুলোকে নষ্ট করেন কিছু অনাকাঙ্খিত কাজ করে।

এমন অনেক সফল ব্যক্তি আছেন যারা তাদের জীবনের প্রতিটি সেকেন্ডকে কিছু ভালো এবং গঠনমূলক কাজের জন্য ব্যবহার করেছেন। তারা জানেন প্রতিটি সেকেন্ডের মূল্য কতখানি। তারা শিখে নিয়েছেন কীভাবে সময়কে কাজে লাগাতে হয়, জানেন কীভাবে সময়কে অপচয়ের হাত থেকে বাঁচাতে হয়।

প্রত্যেকদিন দিন পার হয়ে যায় দৌড়াতে দৌড়াতে? না নিজের জন্য একটু সময় বের করতে পারেন, আর না পারেন একটু আরাম করতে? বেশ, তাহলে জেনে রাখুন এটা হচ্ছে আপনারই ভুলে। গতিময় এই জীবনে ব্যস্ততা থাকবেই। কিন্তু সেই ব্যস্ততার ফাঁক ফোকর থেকেই নিজের আরামের জন্য একটু সময় বের করে নেয়াতা কিন্তু খুব সহজ, যদি সাথে থাকে একটু বুদ্ধি। কীভাবে প্রতিদিন সময় বাঁচাবেন? আসুন, জেনে নেয়া যাক এমন কিছু কৌশল যা নারী-পুরুষ সকলের কাজে লাগবে!

১. কীভাবে সময় অতিবাহিত করবেন পরিকল্পনা করুন

এর জন্য আপনি এক সপ্তাহ সময় নিতে পারেন। অনেকেই তাদের জীবনের মূল্যবান সময়কে অনেক বাজে কাজ করে নষ্ট করেন। লক্ষ্য ছাড়া প্রতিদিন তারা শুধু সময় অতিবাহত করার জন্য কিছু মূল্যহীন কাজ করে থাকেন। যার খুব বাজে প্রভাব তাদের ভবিষ্যত জীবনে পড়ে থাকে। এর জন্য আপনাকে জানতে হবে আপনি কিভাবে কোন কাজ করে সময় অতিবাহিত করবেন। আপনাকে একটি পরিকল্পনা করে এগুনো

জেনে নিন একঘেয়েমী দূর করার ৮ টি দারুণ উপায় !



প্রতিদিনের অফিস কিংবা ঘরের একই রকম কাজ করতে করতে জীবনটা একঘেয়ে হয়ে ওঠে । আর এই এক ঘেয়ে জীবন থেকে মুক্তি পেতে সন্ধ্যার পরেই ক্লান্ত শরীরে কেউ বসে পরেন টিভির সামনে, কেউ মুভি দেখেন কেউবা শোনেন গান । কিন্তু এভাবে কতটুকুই বা আপনার একঘেয়েমী কাটাতে পারে বলতে পারেন? ২% ও না। আর এভাবে ধীরে ধীরে মানসিক চাপ, ব্যস্ততা, একঘেয়েমী মিলে প্রতিনিয়ত একটু একটু করে আপনি আক্রান্ত হন বিষন্নতায়। এবং সেটা চরম মাত্রায় পৌঁছে গেলে ডাক্তারের শরনাপন্নও হতে পারেন আপনি । তাই দৈনন্দিন জীবনের একঘেয়েমীকে গুরুত্ব না দেয়াটা বেশ বড় বোকামী হতে পারে ।

এই একঘেয়েমী থেকে চটজলদি মুক্তি পেতে পারেন কয়েকটি সহজ উপায়ে।

১। .ছুটি নিন সব কাজ থেকেঃ

একদম সব কাজ থেকে ছুটি নিন। দিন তিনেক বা সাতেকের জন্যে অফিস থেকে ছুটি নিয়ে নিন। ঘরের কাজও কিন্তু কম পরিশ্রমের নয়, তাই ছুটি নিতে হবে সেটি থেকেও। যে কাজগুলো আপনি দৈনিক করে থাকেন তার একটিও এই ৩-৭ দিন করবেন না আপনি। এমন কিছু করুন যেগুলো করার কথা বহুদিন ধরে ভাবছিলেন কিন্তু করতে পারেন নি।

২। .বাড়িয়ে আসুন লোকালয় থেকে দূরেঃ

চেনা পরিবেশ থেকে দূরে চলে যান। প্রিয়জনকে নিয়ে বা একাই চলে যান লোকালয় থেকে দূরে প্রক্রিতির খুব কাছাকাছি কোথাও। পাহার, ঝরনা, সমুদ্র বা অরন্যে হারিয়ে গিয়ে টেরই পাবেন না কখন

কীভাবে খুশি করবেন রাগী শিক্ষককে?


লাইফস্টাইল ডেস্ক : স্কুল জীবন, কলেজ জীবন এবং ভার্সিটি জীবনে শিক্ষক শব্দটির সাথে আপনি বেশ পরিচিত। শিক্ষক এমনই একজন যিনি আপনার শৈশব থেকে আপনাকে আদব কায়দা থেকে শুরু করে বিভিন্ন বিষয়ে শিক্ষা প্রদান করে থাকেন। তবে এখনকার ছেলেমেয়েদের মাঝে শিক্ষক শব্দটি একটি ভীতিকর শব্দ হিসেবেই বেশি পরিচিত। শিক্ষকরা যদিও চান অনেকটা বন্ধুত্ব সম্পর্কের ভেতরে থেকে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাদান করতে। আবার অনেক ক্ষেত্রে এর বিপরীতটিও ঘটে যে আপনার টিচার হয়ত এমনই রাগী একজন মানুষ যার সাথে কথা বলতে রীতিমত দূরের বিষয় পড়া বুঝতে যেতেও ভয় হয়। আপনার শিক্ষক কি খুব রাগী একজন? আসুন, তাহলে জানি তাঁকে খুশি করার কিছু উপায়।

১. আপনার সকালের নাস্তাটি টিচারকে খেতে বলুন :

আপনি যখন কলেজে বা ভার্সিটিতে আসবেন তখন নিশ্চয়ই আপনার মা অনেক মজাদার কিছু রান্না করে ব্রেকফাস্ট হিসেবে আপনার সাথে দিয়েছে। সেই মজাদার নাস্তার বক্সটি টিচারকে সাধুন। বলুন আপনার মা রান্না করেছেন। দেখবেন যত রাগী টিচারই হোক না কেন মায়া নিবিষ্ট চোখে আপনার দিকে তাকাবেই।

২. কোনো গিফট কার্ড দিতে পারেন :

অনেক ধরনের অনুষ্ঠানই আমরা পালন করে থাকি। এসব অনুষ্ঠানগুলোতে আপনি চাইলে আপনার টিচারকে কোনো গিফট কার্ড উপহার দিতে পারেন। এতে তার মনটা কিছুটা হলেও আপনার জন্য বিগলিত হবে।

৩. প্রশংসা করা :

অনেক সময় প্যারাগ্রাফ বা রচনা লিখতে হয় যে ‘ তোমার প্রিয় শিক্ষক’। jএই সুযোগটাকে কাজে লাগাতে পারে ছেলেমেয়েরা। প্রিয় টিচারের নামের জায়গায় সেই রাগী টিচারের নাম দিতে পারে। রচনাটিতে সেই টিচারের অনেক প্রশংসা করতে পারে। এক্ষেত্রে দেখা যাবে সেই টিচার বেশ খুশি হয়েছেন।

৪. প্রিয় টিচারকে নিয়ে কবিতা লিখতে পারেন :

রাগী টিচারটিকে নিয়ে একটি মজাদার কবিতা লিখে ফেলতে পারেন। এরপরে সাহস করে টিচারকে গিয়ে কবিতাটি আবৃত্তি করে শোনাতে পারেন। দেখবেন আপনার টিচার অবশ্যই অনেক খুশি হয়েছেন।

৫. তার সাথে অনেক কথা বলুন :

রাগী টিচারকে ভয় পেয়ে দূরে দূরে না থেকে সাহস করে তার সাথে অনেক বেশি কথা বলুন। তাকে জিজ্ঞাসা করুন তিনি কেমন আছেন। বাসার সবাই ভালো আছেন কিনা। উনি যদি বিবাহিত হন তাহলে তার ছেলেমেয়েরা কেমন আছে। আপনার বাবা মায়ের কথা তার সাথে গল্প করুন। আপনার কোনো সমস্যা নিয়ে তার সাথে পরামর্শ করুন। এতে করে দেখবেন আপনার সাথে তার সম্পর্ক অনেক সহজ হয়েছে। পরে আপনার সাথে তিনি ডেকে কথা বলবে।

ভেঙে গিয়েছে প্রেম? ১০টি কৌশলে নিজেকে দূরে রাখুন !


লাইফস্টাইল ডেস্ক : ভালোলাগা থেকে ভালোবাসা। বিষয়টির সাথে হয়ত আপনারা অনেকেই পরিচিত। আপনি হয়তো সেই সুখী মানুষটি যে তার প্রিয় মানুষটিকে নিজের জীবনের চেয়ে অনেক বেশি ভালোবাসেন। জীবনের অনেক জটিল মুহূর্তেও তার সঙ্গ কখনই ছাড়েননি। নিজের সব থেকে দামী সময়গুলো তাকে দিয়েছেন। কিন্তু হয়তো এমন অনেকেই রয়েছেন যার কপালে সুখী মানুষ হয়ে থাকাটা বেশিদিন সহ্য হয়নি। কোনো এক জটিলতায় ছেড়ে চলে গিয়েছে আপনার প্রিয় মানুষটি। কিন্তু আপনি হয়ত ভাবছেন আপনার প্রিয় মানুষটি আপনাকে ছেড়ে চলে গিয়েছে এর জন্য আপনাকে এর প্রতিশোধ নিতেই হবে। এটা ঠিক নয়। প্রিয় মানুষটির উপরে প্রতিশোধ নেয়া থেকে বিরত থাকার জন্য আপনি যা যা করবেন-

১. জেগে উঠুন :

আপনি কি সবেমাত্র সম্পর্ক বিচ্ছেদে গিয়েছেন? এজন্য প্রিয় মানুষটিকে ছেড়ে অনেকটাই বিরহে আর হতাশায় আছেন? তা যদি হয়ে থাকে তবে সেই জায়গা থেকে বেরিয়ে আসুন। ভাবুন হয়ত আপনার সাথে ঠিকভাবে মেলেনি বলেই তা আর বেশিদিন স্থায়ী হয়নি। আপনার হতাশাজনক অবস্থা থেকে জেগে উঠুন। পৃথিবীকে নতুন রূপে দেখার চেষ্টা করুন। আশেপাশের সব বিষয়কে নিজের জীবনের শক্তি হিসেবে ব্যবহার করুন। দেখবেন আপনি ভালো আছেন।

২. ভালো মানুষ হয়ে উঠুন :

নিজেকে ভালো মানুষ করে উপস্থাপন করুন। হতে পারে আপনার প্রিয় মানুষটি আপনাকে ভুল বুঝে চলে গিয়েছে তাই বলে তার উপরে প্রতিশোধ নিবেন এটা কখনই তাকে সত্যিকারের ভালোবাসার লক্ষণ নয়। এমন হলে তাকে আপনি সত্যি সত্যি কখনই ভালোবাসেন নি। এজন্য নিজেকে ভালো মানুষ হিসেবে জাহির করুন। সৎ থাকুন।

৩. ব্যস্ত থাকুন :

যাদের সম্পর্কে বিচ্ছেদ ঘটেছে তাদের একটু পর পর প্রিয় মানুষটির কথা মনে পড়ে। মনে পড়ে কাটানো বিশেষ মুহূর্তগুলো। সুখময় স্মৃতিগুলো। এই স্মৃতি রোমন্থনের হাত থেকে বাঁচতে চাইলে আপনি ব্যস্ত থাকার চেষ্টা করুন। অফিসে বেশি সময় দিন, বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিন, দূরে কোথাও ঘুরতে চলে যান। মনে রাখবেন যত বেশি ব্যস্ত থাকবেন তত বেশি ভালো থাকবেন।

৪. সব ধরনের যোগাযোগ বন্ধ করুন :

এক সময় প্রিয় ছিল সেই মানুষটির সাথে সব ধরনের যোগাযোগ বন্ধ করে দিন। তার মোবাইল নম্বর ফোন থেকে মুছে ফেলুন, ফেসবুক আইডিতে ব্লক মারুন। সাথে সাথে সব ধরনের যোগাযোগ বন্ধ করুন। তার সাথে কোনো ছবি থাকলে তা ছিঁড়ে ফেলে দিন যেন এগুলো আপনাকে তার কথা মনে না করিয়ে

বেশিমাত্রায় ইন্টারনেট ব্যাবহার শুধু আপনাকে বিচ্ছিন্নই করেনা ,বাড়িয়ে দিচ্ছে আপনার মৃত্যুর ঝুকিও!


মানুষ যতই ইন্টারনেট আসক্ত হয়ে পড়ছে ততই তারা পরিবার ও সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে। এরফলে মানুষের মাঝে বিষণ্ণতা ও একাকীত্ব বাড়ছে।



লাইফস্টাইল ডেস্ক :সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো কি মানুষের মৃত্যুঝুঁকি বাড়িয়ে দিচ্ছে? এটা নিয়ে বেশ বিতর্ক উঠতে পারে, পড়ে যেতে পারে শোরগোল। কিন্তু দু’জন ব্রিটিশ বিজ্ঞানীর মতে সারাদিন ও সারারাত যারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বসে থাকেন, তারা তাদের দেহ ও মস্তিষ্কের উপর মারাত্মক ঝুঁকি সৃষ্টি করেন। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মাকোলজির অধ্যাপক, স্নায়ুবিজ্ঞানী ও রয়াল ইনস্টিটিউশন অব গ্রেট ব্রিটেন এর পরিচালক সুসান গ্রিনফিল্ড বলেন, “আমার ভয় হচ্ছে যে, এই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সাইটগুলো আমাদের মস্তিষ্কের বুদ্ধিবৃত্তিক পর্যায় ছোট শিশুদের সমপর্যায়ে নিয়ে যাচ্ছে।“ ছোট শিশুরা যেমন কোন শব্দ বা উজ্জ্বল বাতি থেকে আকৃষ্ট হয়, এখনকার মানুষজনও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের নোটিফিকেশন দেখে আকৃষ্ট হয়, তাদের দিনের একটা বড় অংশ এই সাইটগুলোতে ব্যয় করে।

তিনি আরো বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও ভিডিও গেমগুলো শিশুদের অমনোযোগিতা সমস্যা সৃষ্টির জন্য বিশেষভাবে দায়ী। তিনি আরো বলেন, বাস্তবে কারো সাথে পরিচিত হওয়ার সাথে ভার্চুয়াল জগতের কারো সাথে পরিচিত হবার মাঝে অনেক মৌলিক পার্থক্য আছে। কারণ মুখোমুখি পরিচয়ে আমাদেরকে একজনের সাথে কথা বলতে হয়, তাদের কথার ভেবে-চিন্তে উত্তর দিতে হয়। কিন্তু ইলেক্ট্রনিক যোগাযোগ মাধ্যমে মানুষের সাথে যোগাযোগ সৃষ্টির এই মূল বিষয়গুলো অনুপস্থিত।

এর আগে রয়াল সোসাইটি অব মেডিসিনের ড. এরিক সিগমান তার এক গবেষণাপত্রের ফলাফল দিয়ে তোলপাড় ফেলে দেন। যেগুলোতে বলা হয়, অনলাইন নেটওয়ার্কিং স্বাস্থ্যের ক্ষতি করে আর অতিরিক্ত ফেসবুক ব্যবহার বাড়িয়ে দেয় ক্যান্সারের ঝুঁকি। এরিক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের আমাদের উপর কি ধরণের প্রভাব ফেলছে সেটি নিয়ে গবেষণা করছিলেন। বলাই বাহুল্য প্রাপ্ত ফলাফলে তিনি হতাশ। তিনি বলেন মুখ আর কম্পিউটার স্ক্রিনের যোগাযোগের চেয়ে মুখোমুখি যোগাযোগ অনেক বেশি স্বাস্থ্যকর। বিভিন্ন গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে, যারা একা থাকেন তাদের তুলনায় যারা অনেক মানুষের সাথে মেশেন, তারা অনেক বেশি সুস্থ থাকেন।


মানুষ যতই ইন্টারনেট আসক্ত

জেনে নিন ঝকঝকে সুন্দর দাতের রহস্য


ঝকঝকে সাদা দাঁতের মুক্তো ঝরা হাসি কে না চায় বলুন? সুন্দর দাঁতের মিষ্টি হাসি যে কারো মন কেড়ে নিতে পারে নিমিষেই। দাঁত সুন্দর না হলে মানুষের আত্মবিশ্বাসও কমে যায় অনেকখানি। হলদে দাঁত বের করে সহজে কেউ হাসতে চায় না। আর তাই হাসি পেলেও মুখ চেপে চেহারাটাকে কিম্ভুতকিমাকার বানিয়ে ফেলেন অনেকেই। পাছে লোকে দাঁত দেখে ফেলে তাই মুখে হাত দিয়েও হাসেন কেউ কেউ।

অসুন্দর দাঁতের সমাধান তো আর দাঁত ঢাকা নয়। ঝকঝকে দাগমুক্ত দাঁত পেতে চাইলে দিনে দুইবার দাঁত ব্রাশ করার পাশাপাশি প্রয়োজন বিশেষ যত্নের। ডেন্টিস্টের কাছে না গিয়েও দাঁত সাদা ঝকঝকে করে তোলা সম্ভব। ঘরেই বিশেষ যত্ন নিয়ে দাঁতের হলুদ ভাব দূর করে ফেলা যায় সহজেই। আর দাঁতের হলুদ ভাব দূর করতে সহায়তা করবে লেবুর রস। জেনে নিন দাঁতের হলদে ভাব দূর করার