জীবনে সফল হতে চাইলে যা কিছু জানতেই হবে আপনাকে


sunshineজীবনে সাফল্যের জন্য কোন বিষয়টি জানা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ? এর কোনো সহজ উত্তর নেই। তবে ইতিহাস ঘেটে দেখা যায়, কিছু বিষয়ে নজর দেওয়া হলে তা সাফল্যের পথকে উন্মুক্ত করে। এতে বেড়ে যায় জীবনে সাফল্যের সম্ভাবনা। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে বিজনেস ইনসাইডার।
১. অধিকাংশ মানুষ আপনার বিষয়ে লক্ষ্য রাখে না
আপনি নতুন একটি গাড়ি কিনেছেন কিংবা অফিসে একটা প্রমোশন পেয়েছেন, আপনি হয়তো ভাবছেন আপনার আশপাশের মানুষ এসব বিষয়ের বিস্তারিত খবর রাখছে। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন। এসব বিষয় আপনার আশপাশের মানুষ খুব একটা খবর রাখে না।
২. সত্যিকার বন্ধুরা আপনার অর্জন কিংবা অবস্থান নিয়ে মনযোগী হবে না
আপনাকে যারা ভালোবাসে, কিংবা আপনার যারা সত্যিকার বন্ধু তাদের সহজেই চিনতে পারবেন কোনো লক্ষ্য অর্জন করার পর। আপনার ভালো কোনো অর্জনে প্রিয়জনরা অবশ্যই খুশি হবে। কিন্তু যারা আপনাকে ভালোবাসে, সে অর্জনের কারণে আপনার প্রতি তাদের আচরণ পাল্টাবে না।
৩. টাকার জন্য জীবন আপনার সুখ আনবে না
আপনার আগ্রহের বিষয়ে মনযোগ দিন, মানিব্যাগের দিকে নয়। বহু মানুষ আছে যারা বহু পরিশ্রম করে অর্থ সঞ্চয় করলেও সে অর্থ কোনো কাজে ব্যয় করতে পারেন না।
৪. ঋণ নেওয়ার কোনো আবশ্যিকতা নেই
আপনি যদি শিক্ষা বিষয়ে ঋণ নিতে চান, সেক্ষেত্রে বিষয়টি ভিন্ন। কিন্তু শুধু জীবনযাপনের জন্য ঋণ নেওয়ার কোনো প্রয়োজনীয়তা নেই। ঋণের বদলে আপনার বর্তমানে যা আছে, তাই নিয়ে চলাটাই সবচেয়ে ভালো।
৫. তোষামোদ শক্তিশালী বিষয়
কোন ধরনের শব্দ ও ভাষা মানুষকে অনুপ্রাণীত ও খুশী করতে পারে তা লক্ষ্য করুন। এতে অন্য মানুষেরা আপনার কথায় প্রভাবিত হবে। কারো মনোভাব পরিবর্তনে কীভাবে কাজ করতে হবে, সে বিষয়টি লক্ষ্য করতে পারলে আপনার উন্নতি সহজ হবে।
৬. সবার প্রতি আপনার দায়িত্ব রয়েছে, আবার নিজের প্রতিও রয়েছে
মানুষ হিসেবে আপনার দায়িত্ব রয়েছে সবার প্রতি নজর দেওয়ার। আবার নিজের প্রতিও আপনার নজর প্রয়োজন। আপনার নিজের সুখ ও সাফল্যের জন্যও প্রয়োজন এ দায়িত্ববোধ।
জীবনে সাফল্যের জন্য যে ৩০টি বিষয় জানা প্রয়োজন
৭. আশাতীত বিষয়ের জন্য প্রস্তুতি নিন
কোন বিষয়টি কীভাবে কাজ করে, কীভাবে প্রতিষ্ঠান চালানো হয়, সবকিছু জেনে রাখার পরেও অনেক সময় গণ্ডগোল হয়ে যায়। এ কারণে সম্ভাব্য সব বিষয়ের জন্য প্রস্তুতি নিয়ে রাখতে হয়।
৮. নিজের বর্ণনা করার সুযোগ দেবেন না অন্যদের
মানুষ একটি সমাজের অংশ হিসেবেই গড়ে ওঠে। ফলে অন্য মানুষকে নিজের সম্পর্কে বলার সুযোগ দিলে তাতে সঠিক বিষয়টি নাও উঠে আসতে পারে।
৯. প্রয়োজনীয়তার বাইরে যেতে হবে
সাফল্যের জন্য আপনাকে অবশ্যই অন্য মানুষদের চেয়ে বেশি দক্ষতা দেখাতে হবে। আর আপনি যখন শীর্ষে চলে যাবেন তখন নিজের সঙ্গেই প্রতিযোগিতা করুন।
১০. সচেতনতার গুরুত্ব সর্বাধিক
অন্যরা আপনাকে যেভাবে দেখে, সেভাবে নিজের দিকে দেখা সবচেয়ে ভালো। এমন দৃষ্টিতে নিজেকে দেখতে পারলে আপনি অন্যদের সহজেই বুঝতে পারবেন্
১১. আপনার প্রত্যেক কাজেই পূর্বধারণা কাজ করে
আপনার প্রত্যেক সিদ্ধান্তের পেছনে কাজ করে পূর্বধারণা। আপনি যদি এ পূর্বধারণাগুলো সম্বন্ধে সঠিকভাবে জানতে পারেন, তাহলে যে কোনো সিদ্ধান্ত বা ব্যবস্থা গ্রহণের ক্ষেত্রে বাস্তবতার ছোঁয়া পাবেন। এতে সঠিক কাজ করতে সুবিধা হবে।
১২. বর্তমানে গুরুত্ব দেওয়া আপনাকে লক্ষ্যের দিকে নিয়ে যাবে
আপনি যদি মেনে নেন যে, অতীত পার হয়ে গেছে এবং তাকে পরিবর্তন করা যাবে না। আর ভবিষ্যৎকে আপনি নিজের কাজের মাধ্যমে পরিবর্তন করতে পারবেন, তাহলে তা আপনার লক্ষ্য সাধনে সহায়ক হবে।
১৩. ভিন্নধর্মী মানুষেরা আপনাকে সমৃদ্ধ করবে
প্রিয় মানুষদের আপনার আশপাশে সব সময় রাখলে তা আপনার সৃজনশীলতা কমিয়ে দেবে। আর আপনি যদি নতুন দৃষ্টিভঙ্গি চান, তাহলে রাখুন ভিন্ন ধরনের মানুষদের। এতে আপনি দ্রুত বহু বিষয় শিখতে পারবেন।
১৪. বেশি বেশি ভ্রমণ করুন
ভ্রমণ শুধু বহু পথই দেখায় না, এর ফলে আপনি জীবনের নতুন নতুন সম্ভাবনাও আবিষ্কার করতে পারবেন। এটি আপনার মস্তিষ্ক থেকে স্বয়ংক্রিয় চালক দূর করবে এবং সতেজ অবস্থায় কাজে ফিরতে সাহায্য করবে।
১৫. নিজের আগ্রহের বিষয় না পাওয়া পর্যন্ত ঝুঁকি নিতেই হবে
আপনার আগ্রহের বিষয়ে কোনো কাজ যতদিন খুঁজে না পাচ্ছেন, খুঁজতে থাকুন। এজন্য ঝুঁকি নেওয়ার বিকল্প নেই।
১৬. নিজের স্বাস্থ্যের দিকে খেয়াল রাখা অবশ্যপালনীয়
আপনি যদি স্বাস্থ্যগত দিক দিয়ে দুর্বল বা অসুস্থ হন তাহলে ক্যারিয়ারের উন্নতিতে তা বিঘ্ন ঘটাতে পারে। এ কারণে স্বাস্থ্যগত বিষয়গুলোকে উপেক্ষা করার কোনো সুযোগ নেই। অন্যথায় এটি কর্মক্ষমতাও কমিয়ে দিতে পারে।
১৭. আপনার সুনাম রক্ষা করতেই হবে
আপনার সুনাম রক্ষা করা খুবই প্রয়োজনীয় একটি বিষয়। সৎ, বিশ্বাসী ও অন্যের প্রতি দয়ালু থাকা খুবই প্রয়োজনীয়।
১৮. সিদ্ধান্ত গ্রহণে আবেগের ভূমিকা দূর করুন
উদ্বেগ, ভয়, রাগ ইত্যাদি দীর্ঘদিনের অর্জনকে ধূলিস্যাৎ করে দিতে পারে। বড় কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে আপনি যথেষ্ট ঠাণ্ডা মাথায় বিষয়টি ভেবে দেখেছেন, তা নিশ্চিত হয়ে নিন।
১৯. অন্যকে ও নিজেকে ক্ষমা করে দিন
অপরিচিত মানুষ কিংবা প্রিয় মানুষ যে কেউ আপনাকে আঘাত দিতে পারে। এজন্য প্রয়োজনীয় প্রতিক্রিয়া দেখালেও পরে তা ভুলে যাওয়াই ভালো। ক্ষমা না করলে তা উল্টো আপনার ক্ষতির কারণ হবে।
২০. বড় লক্ষ্যের খোঁজ করুন
আপনি আপনার তুলনায় বড় একটি বিশ্বে বাস করেন। এ কারণে কীভাবে সে লক্ষ্যে পৌঁছানো যায়, তার সন্ধান করুন।
২১. জীবন ছোট
সময়ের সদ্ব্যবহার করতে হবে। জীবন ছোট একটি সময়। এ সময়ে তাড়াহুড়া করার কোনো বিকল্প নেই।
২২. বহু বিষয় আপনি জানেন না
আপনার সব বিষয়ে জ্ঞান থাকার কোনো সম্ভাবনা নেই। এ কারণে কোনো কাজে যদি অন্যের সঙ্গে আলোচনা করতে হয়, তাতে লজ্জার কিছু নেই। প্রয়োজনীয় সব সময় অন্যের সঙ্গে আলোচনা করবেন।
২৩. নিজের সঙ্গে সৎ থাকুন
আপনি যদি একজন মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠেন তাহলে সব বিষয় সম্বন্ধেই ধারণা থাকতে হবে। আর এজন্য সততার কোনো বিকল্প নেই।
২৪. সুখ একটি পছন্দ
আপনার আচরণ নিজস্ব একটি সিদ্ধান্ত। সুখী ও ইতিবাচক হতে পারলে তা আপনার পক্ষে যে কোনো পরিস্থিতিতেই সাফল্য অর্জন করা সহজ হবে।
২৫. আত্মবিশ্বাস আপনাকে এগিয়ে নেবে
আপনি যদি আত্মবিশ্বাসী হন তাহলে অন্যেরাও আপনাকে বিশ্বাস করবে। আর নিজের প্রতি যদি আপনার বিশ্বাস না থাকে তাহলে অন্যরা বিশ্বাস করতে ভরসা পাবে না। ফলে আপনার এগিয়ে যাওয়ার জন্য এটি প্রয়োজনীয়।
২৬. প্রত্যেকেই চিন্তিত থাকে
সবাই পতনের ভয়ে ভীত থাকে। এ কারণে তাদের ভয়কে কাজে লাগাতে পারলে আপনার পক্ষে সাফল্য পাওয়া সহজ হতে পারে।
২৭. যে কেউ আঘাত পেতে পারে
মাত্রাভেদে সবাই সংবেদনশীল। এ কারণে সবার প্রতি দয়ালু থাকা উচিত। সামান্য ইশারাও কাউকে খুশী বা অসন্তুষ্ট করতে পারে।
২৮. কোনোকিছুই নিখুঁত নয়
পৃথিবী সিনেমা নয়, বাস্তব। আর বাস্তবে ভালো মানুষেরা সব সময় বিজয়ী হয় না। আপনার যা আছে, তা নিয়েই সুখী হন। এতে আপনি শক্তিশালী ও সুখী হবেন।
২৯. অন্যদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগান
হিরোদের থেকে অভিজ্ঞতা সংগ্রহ করুন। তাদের পরামর্শ গ্রহণ করুন। এতে আপনার কাজ অনেক সহজ হয়ে যাবে।
৩০. সাফল্যের ক্ষেত্রে ভাগ্যের ভূমিকা সবচেয়ে কম
আপনি যদি সফল হতে চান তাহলে ভাগ্যের দিকে তাকিয়ে থাকলে চলবে না। এজন্য আপনার প্রচেষ্টাই ভাগ্য তৈরি করবে।

যে ৫টি “পরোক্ষ” উপায়ে ভালোবাসা প্রকাশ করেন পুরুষেরা !

image_90987_0
‘আমি তোমাকে ভালবাসি’ এই কথাটি কি সব সময়েই মুখে বলতে হয়? কেউ হয়তো বলবেন যে মুখে না বললে কিভাবে বুঝবেন ভালোবাসার কথা! কিন্তু আপনি কি জানেন ভালোবাসার কথা মুখে উচ্চারণ না করেই প্রকাশ করা যায় ভালোবাসা। দুটি হৃদয়ের টান থাকলে কোনো শব্দ প্রয়োগ ছাড়াই বুঝে নেয়া যায় ভালোবাসার গভীরতাটুকু।
নারীরা ভালোবাসা প্রকাশের ব্যাপারে পটু হলেও পুরুষরা সহজে ভালোবাসার কথা মুখে বলতে চায় না। তাদের কাজে ও আচরনে প্রকাশ পায় ভালোবাসা। মুখে ভালোবাসা প্রকাশ না করে এভাবে ভালোবাসা প্রকাশ করা হলো পরোক্ষ উপায়। জেনে নিন ৫টি পরোক্ষ উপায়ের কথা যেগুলো প্রকাশ করে পুরুষের ভালোবাসা।
আপনার আশেপাশেই থাকে সবসময়
আপনাকে যেই পুরুষটি পছন্দ করেন তিনি বেশিরভাগ সময়ে আপনার আশেপাশেই থাকতে চাইবেন। আপনি কোথাও গেলে তিনি সঙ্গে যেতে চাইবেন আপনার। সব সময়ে আপনার সান্নিধ্যে থাকার জন্য নানান রকম চেষ্টা করবেন তিনি। এটাই তার ভালোবাসা প্রকাশের ভাষা।
বাধ্য ছেলের মত আপনার কথা শোনে
আপনাকে যে পুরুষ ভালোবাসেন তিনি বাধ্য লক্ষ্মী ছেলের মত আপনার কথা শুনবেন। আপনি যদি ঘুমাতে বলেন তাহলে তিনি ঘুমিয়ে পড়বেন, আপনি যদি তাকে বেশি করে পানি খেতে বলেন তাহলে তিনি বাধ্য ছেলের মত পানি খাবেন। আপনার আদেশ নির্দেশ গুলো বাধ্য ছেলের মতে মেনে নিবেন তিনি। এমনকি মাঝে মাঝে আপনার কাছে নানান বিষয়ে পরামর্শও চাইবেন তিনি।
সে বলে তার বন্ধুরা আপনাকে পছন্দ করে
অনেক পুরুষই সরাসরি ভালোবাসার কথা বলতে পারেন না। যারা নিজেরা সরাসরি ভালোবাসার কথা বলতে পারেন না তাঁরা অনেক সময় বলেন যে ‘আমার বন্ধুরা তোমাকে খুব পছন্দ করে’ কিংবা ‘আমার পরিবার তোমাকে খুব পছন্দ করে’। এমনকি কেউ কেউ বলেন ‘বন্ধুরা বলেছে তোমার সাথে নাকি আমাকে বেশ মানায়’। .এভাবে পরোক্ষভাবে ভালোবাসা প্রকাশ করে পুরুষরা।
কোনো কারণ ছাড়াই আপনাকে ফোন বা মেসেজ দেয়
কোন কারণ ছাড়াই গভীর রাতে কি আপনার ফোনে মেসেজ আসে ‘কি করো?’ কিংবা ‘ঘুম আসছে না’? কিংবা মাঝে মাঝেই উদ্দেশ্য ছাড়াই ফোন করেন শুধু কিছুক্ষন কথা বলার জন্য? যদি এমন হয়ে থাকে তাহলে সেটা সেই পুরুষটির ভালোবাসা প্রকাশের পরোক্ষ উপায়। আপনার কন্ঠ শোনার জন্য এবং আপনার সাথে যোগাযোগ করার জন্য এরকম উদ্দেশ্যহীন মেসেজ কিংবা ফোন দেয় সে।
আপনার পছন্দকে প্রাধান্য দেয় সবসময়
আপনাকে যেই পুরুষটি ভালোবাসে সে সবসময়েই আপনার পছন্দকে প্রাধান্য দিবে। আপনি যেই রঙ ভালোবাসেন সেই রঙের পোশাক পড়তে চাইবে সে। কিংবা কেনা কাটার সময় আপনার পছন্দকেই বেশি গুরুত্ব দিবে সে সব সময়ে। এটা তার ভালোবাসা প্রকাশের একটি পরোক্ষ উপায়।

প্রথমবার অন্তরঙ্গ মুহূর্তের প্রস্তুতি নিতে প্রায় ৬ ঘন্টা সময় নেন নারীরা


Young couple with rose, outdoorsনতুন এক সমীক্ষাতে উঠে এসেছে, সঙ্গীর সঙ্গে প্রথমবার শারীরিক সম্পর্কে  লিপ্ত হওয়ার আগে কমপক্ষে ছয় ঘণ্টা প্রস্তুতি নেয় নারীরা। এ প্রস্তুতির মধ্যে থাকে ফেসিয়াল, স্প্রে, ট্যান ও ও ব্লো ড্রাই। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে হিন্দুস্তান টাইমস।
অন্তর্বাস ব্র্যান্ড ব্লুবেলা পরিচালিত ওই জরিপে দেখা গেছে, নারীরা নতুন সঙ্গীর সঙ্গে কোনো রাত কাটানোর আগে বিভিন্ন ধরনের রূপচর্চা করেন। এজন্য রূপচর্চার পেছনে পরিকল্পনা ও চর্চায় মোট ছয় ঘণ্টা ব্যয় করেন তারা।
জরিপে উঠে এসেছে, প্রথম যৌনতার আগে এক তৃতীয়াংশ নারী ফেসিয়ায় করেন, ৩২ ভাগ নারী ট্যানিং স্প্রে করেন এবং ৭৬ ভাগ নারী তাদের চুলের প্রফেশনাল হেয়ারস্টাইল করেন।
এ ছাড়াও যৌনতার আগে অনেক নারী ওয়াক্সিং করে থাকেন। ৫৩ ভাগ নারী জানিয়েছেন তারা ওয়াক্সিং করেন।
জরিপে আরও উঠে এসেছে, ৭৪ ভাগ নারী বলেছেন তারা ব্রেড বাস্কেট ও কার্বহাইড্রেট জাতীয় খাবার বাদ দিতে চান। এর উদ্দেশ্যে তাদের পেট যেন মোটা দেখা না যায়।
এ ছাড়াও তারা যখন একটি রাত সঙ্গীর সঙ্গে কাটানোর সিদ্ধান্ত নেন তখন সেটি যেন ভালোভাবে কাটে তার ব্যবস্থা করার জন্য সব প্রতিবন্ধকতা দূর করার চেষ্টা করেন। এ কারণে ১৯ ভাগ নারী জানান, তারা সঙ্গীর অ্যালকোহল গ্রহণের মাত্রাও ওপরও নজর রাখেন।
ব্লুবেলার উদ্যোগে প্রায় এক হাজার নারীর ওপর এ জরিপ করা হয়েছে।

মস্তিষ্কের আবর্জনা পরিষ্কার করে ঘুম

25046_sleeping-woman

গবেষকরা প্রমাণ পেলেন, সারা দিনের হাড়ভাঙ্গা চিন্তার ধকলে জমা হওয়া ময়লা পরিষ্কার করতে আমাদের মস্তিষ্ক ঘুমকে কাজে লাগায়। যুক্তরাষ্ট্রের এই বিজ্ঞানী দল মনে করছে, ঘুমের প্রাথমিক প্রয়োজন ‘আবর্জনা অপসারণ পদ্ধতি’র জন্য।
বিজ্ঞান সাময়িকীতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মস্তিষ্কের সেলগুলো ঘুমের মধ্যে সংকুচিত হয়ে নিউরনের মাঝখানে ফাঁকা জায়গা তৈরি করে যেন তরল পদার্থের মাধ্যমে ধুয়ে যেতে পারে। বিজ্ঞানীরা ধারণা করছেন, এভাবে পরিষ্কার না হলে বিষাক্ত প্রোটিন জমে থাকতে পারে। এই জমে থাকা উপাদান মস্তিষ্কের বিকৃতির জন্য ভূমিকা রাখতে পারে।
ঘুম বিজ্ঞানীদের কাছে বড় একটি প্রশ্ন হচ্ছে, শিকারীদের কাছে বিপন্ন হওয়ার ঝুঁকি সত্ত্বেও প্রাণীরা ঘুমে ঢলে পড়ে কেন? মস্তিষ্কের সীমিত এনার্জির কারণে দুটো কাজ এক সঙ্গে করতে পারে না। সজাগ-সতর্ক থাকা এবং পরিচ্ছন্নতা সম্পাদন- এর মধ্যে একটিকে বেছে নিতে হয়।
গবেষক ড. মাইকেন নেডারগার্ড উদাহরণ দিয়ে বলেন, এটা বাড়িতে পার্টি আয়োজনের মত। আপনাকে অতিথীদের সঙ্গ দিতে হবে অথবা বাড়ির পরিচ্ছন্নতায় ব্যস্ত থাকতে হবে। আপনি দুটোই একসঙ্গে করতে পারবেন না।

চুলকে রাখুন চিরকাল খুশকি মুক্ত খুব সহজে!


sdggsdgখুশকির সমস্যা চুলের জন্য সব চাইতে বড় একটি সমস্যা। কারণ খুশকি থেকেই চুলের নানা সমস্যার সৃষ্টি হওয়া শুরু হয়। খুশকির সমস্যা থেকে শুরু হয় চুল পড়া, চুল রুক্ষ হয়ে যাওয়া, উকুনের সমস্যা, চুলের আগা ফাটা ইত্যাদি। কারণ খুশকির কারণে চুলের গোঁড়ায় পুষ্টি পৌছুতে পারে না। আপনি চুলের যত্নে যাই ব্যবহার করুন না কেন এই খুশকির কারণে চুল ভেতর থেকে পুষ্টি পায় না। তাই সবার প্রথমে খুশকি মুক্ত করতে হবে চুলকে।
হালকা পাতলা খুশকিকে অনেকেই অবহেলা করেন। কিন্তু অবহেলা করবেন না। কারণ সামান্য অবহেলা থেকেই খুশকির সমস্যা বাড়তে থাকে। এতে করে চুলের স্থায়ী ভাবে ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দেয়। তাই খুশকি দেখতে পেলেই নির্মূল করতে সচেষ্ট হতে হবে আমাদের।
বাজারে অনেক ধরণের শ্যাম্পু পাওয়া যায় যা খুশকি দূর করে। কিন্তু এই সকল শ্যাম্পুতে যে ধরণের কেমিক্যাল ব্যবহার করা হয় তা চুলের মারাত্মক ক্ষতি করে। তাহলে কি করা যায় ভাবছেন? প্রাকৃতিক উপায়ে ঘরেই খুশকি দূর করে ফেলুন খুব সহজে। চলুন তবে দেখে নেয়া যাক কিভাবে তৈরি করবেন খুশকি দূর করতে কার্যকরী হেয়ার মাস্ক।
উপকরণ
২ টেবিল চামচ বেকিং পাউডার
১ কাপ গরম পানি
১ টেবিল চামচ ভিনেগার
২ টেবিল চামচ পুদিনা পাতার রস
পদ্ধতি
একটি বাটিতে গরম পানিতে প্রথমে বেকিং পাউডার করে গুলিয়ে নিন। দেখবেন যেন কোনো দলা না থাকে। এরপর এতে ভিনেগার দিয়ে খুব ভালো করে মেশান। এরপর তাজা পুদিনা পাতা নিয়ে এর রস বের করে নিয়ে তা মিশ্রণে দিয়ে খুব ভালো করে মেশান। মেশানো হয়ে গেলে আলাদা করে সরিয়ে রাখুন ঠাণ্ডা হওয়ার জন্য। গোসলের সময় এই মিশ্রণটি চুলের গোঁড়ায় মাথার ত্বকে ভালো করে লাগাবেন খুব ভালো করে। সপ্তাহে মাত্র ২ বার নিয়মিত ব্যাবহারে খুশকি দূর হবে খুব সহজে। চুল হবে স্বাস্থ্যউজ্জ্বল

চিরকাল যৌবনের সৌন্দর্য ধরে রাখার ৫টি গোপন সূত্র

bino_taroka
 আমরা পৃথিবীতে আর কতদিন? বাঁচি খুব বেশি হলে ১০০ বছর। ১২ বছরের পর থেকে কৈশোরে পা দেই আর কৈশোরের হাত ধরে আসে যৌবন। যৌবন থাকে খুব বেশি হলে ৪০ বছর পর্যন্ত। বয়সের সাথে সাথে আমাদের চেহারায় পড়ে বয়সের ছাপ। কোনোভাবে আমরা তা রোধ করে রাখতে পারি না। কিন্তু আমরা সকলেই চাই চিরজীবন যেন আমাদের তরুণ দেখায়, যেন অক্ষয় হয় যৌবন। কীভাবে চিরকাল ধরে রাখবেন যৌবন? আসুন, জেনে নেই সেই গোপন সূত্র।
১. প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন :
মানবদেহের ৬০ শতাংশই পানি। দেহে পানির পরিমাণ কমে গেলে বিভিন্ন অসুস্থতা দেখা দেয়। একজন সুস্থ মানুষের প্রতিদিন কমপক্ষে ৮ গ্লাস পানি খাওয়া প্রয়োজন। তবে এর বেশি হলে আরও ভালো। দেহে প্রচুর পরিমাণে পানি সরবরাহ হলে দেহের ভেতরের বিভিন্ন শিরা উপশিরা ভালোভাবে কাজ করতে থাকে। বিশেষ করে এটি হজমক্রিয়াকে সহজ করে তোলে। এছাড়া এটি ত্বকের নমনীয়তা, স্পন্দনশীলতা রক্ষা করে, দেহের দূষিত পদার্থ নিঃসরণ করে, অনিদ্রা দূর করে।
২. চাপ কমানো :
প্রতিটি মানুষেরই জীবনে বিভিন্ন ধরনের মানসিক এবং শারীরিক চাপ থাকে। এই ধরনের চাপ যেকোনো উপায়ে কমানো উচিৎ। গবেষণায় দেখা গেছে মানসিক চাপ দেহের উপরে আঘাত হানে, হরমোন শুকিয়ে ফেলে এবং কোষ তৈরিতে বাঁধা দিয়ে থাকে। অনেক পদ্ধতি রয়েছে এই মানসিক চাপ থেকে নিজেকে মুক্ত রাখার। এর জন্য বিভিন্ন শারীরিক ব্যায়ামের মাধ্যমে চিন্তা ভাবনার পরিবর্তন আনা যেতে পারে। শারীরিক ব্যায়াম, গভীরভাবে শ্বাস প্রশ্বাস নেয়া, মেডিটেশন করা এই ধরনের মানসিক চাপ থেকে মুক্ত করে। এর ফলে মস্তিষ্কে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক হয়, দেহে রক্ত সঞ্চালন ভালো হয় এবং শরীরের শক্তি বেড়ে যায়। এর ফলে তারুণ্য ফুটে ওঠে।
৩. ফ্রুট ফেসিয়াল করুন :
চিরতরুণ দেখাতে আপনি আপনার পছন্দমত মুখে ফ্রুট ফেসিয়াল করতে পারেন। মুখে পেঁপের মিক্স লাগাতে পারেন। পেঁপেতে থাকা এনজাইম যেটিকে পাপাইন বলে এটি ত্বকের মরা চামড়া তুলে ফেলে এবং মেলানিনের পরিমাণ কমিয়ে দেয়। এছাড়া স্ট্রবেরীর খন্ড অংশ মুখে ঘষলে বিটা ক্যারোটিন তৈরি করে এবং কোলাজেন তৈরিতে ভিটামিন এ সরবরাহ করে। প্রাকৃতিক এ্যালোভেরা ত্বকের নতুন কোষ তৈরিতে সহায়তা করে, মুখের বিভিন্ন দাগ দূর করে এবং পরিচ্ছন্নতা আনে। এই ধরনের প্রাকৃতিক নির্যাস ত্বকে শীতলতা এবং নমনীয়তা ফিরিয়ে আনে এবং চিরতরুণ থাকতে সহায়তা করে।
৪. নিয়মিত ব্যায়াম :
আপনি যদি নিজেকে চিরতরুণ দেখাতে চান তাহলে অবশ্যই একটা নিয়ম করে শারীরিক ব্যায়াম করবেন। আপাতদৃষ্টিতে শারীরিক ব্যায়াম ত্বকের প্রাঞ্জলতা ফিরিয়ে আনার এক অতুলনীয় পদ্ধতি। পেশীর কাজ সহজ করে তোলে এই শারীরিক ব্যায়াম। সাধারণত বয়স হয়ে গেলে শরীর সেভাবে কাজ করে না। কিন্তু একমাত্র শারীরিক ব্যায়াম শরীরের নমনীয়তা এবং কমনীয়তা বজায় রাখে। এটি হার্টের সমস্যাকের নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং সজীব ও প্রাণবন্ত দেখাতে সহায়তা করে। শারীরিক ব্যায়াম রক্ত চলাচলকে স্বাভাবিক রাখে যেটি মস্তিষ্ককে সচল রাখে। সবচেয়ে সুবিধাজনক শারীরিক ব্যায়াম হল প্রতিদিন নিয়ম করে হাঁটা।
৫. স্বাস্থ্যসম্মত খাবার :
চিরতরুণ দেখাতে একটি সুষম খাদ্য তালিকা তৈরি করতে পারেন যেখানে বেশিরভাগ খাদ্যের মধ্যে থাকবে ফলমূল এবং সবজি। গরুর মাংসসহ বিভিন্ন মাংস থেকে দূরে থাকাই ভালো এবং সম্ভব হলে সামুদ্রিক কোনো খাবার খাদ্যতালিকায় অন্তর্ভূক্ত করতে পারেন। পাউরুটি এবং শস্যদানা জাতীয় খাবারকে বিদায় দেয়া চিরতরুণ থাকার ক্ষেত্রে ইতিবাচক ফল এনে দেবে। ফলমূল এবং সবজি জাতীয় খাবার দেহে এন্টি-অক্সিডেন্টের যোগান দেবে যা বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। স্বাস্থ্যসম্মত খাবার ত্বকের পুষ্টি যোগাতে সহায়তা করে এবং ঔজ্জ্বলতা ধরে রাখে। ফলে চিরতরুণ দেখাতে সহায়তা করে।

যে ১০টি কারণে প্রিয় মানুষটি এড়িয়ে চলতে পারে আপনাকে!


মাঝে মাঝে কি আপনার মনে হয় যে প্রিয় মানুষটি আপনাকে কিছুটা এড়িয়ে চলছে? আগের মত আর নেই আর আপনার সঙ্গী? আগে যতটা গুরুত্ব দিতেন তিনি আপনাকে, এখন আর দেন না তিনি। কোথায় যেন হারিয়ে গিয়েছে সম্পর্কের সেই মধুরতা। দুজনের মধ্যে অনেক দূরত্ব সৃষ্টি হয়েছে।
কিন্তু কেন এড়িয়ে চলছেন আপনার সঙ্গী আপনাকে? আসলেই এড়িয়ে চলছেন নাকি পুরোটাই আপনার ভুল ধারণা! কিংবা কী কী কারণে প্রিয় মানুষটি এড়িয়ে চলা শুরু করতে পারে আপনাকে?
সম্পর্কের একটা ধাপে এসে এমন মনে হতেই পারে যে আপনার সঙ্গী আপনাকে এড়িয়ে চলা শুরু করছেন। আর স্বাভাবিক ভাবেই এরকম পরিস্থিতিতে আপনার মনে প্রশ্ন জাগবে যে কেন এড়িয়ে চলছেন আপনার সঙ্গী আপনাকে। জেনে নিন ১০টি সম্ভাব্য কারণ সম্পর্কে যেগুলোর কারণে আপনার সঙ্গী আপনাকে এড়িয়ে চলছেন।
১) আপনার সঙ্গী আপনার প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলছে ক্রমশ। প্রেমের প্রথম দিকে আপনার প্রতি তার যতটুকু আগ্রহ ছিলো এখন আর ততটুকু নেই।
aedfafg
২) আপনি তাকে কখনোই বোঝেন না। তিনি যতবারই আপনার কাছে নিজেকে প্রকাশ করেন,আপনি ততবারই থাকে ভুল বোঝেন। 
আর তাই সে আপনাকে এড়িয়ে চলছে।
৪) সম্পর্কটা তার কাছে একঘেয়ে হয়ে গিয়েছে। আগের মত আগ্রহ পাচ্ছেন না তিনি।
৫) আপনার কাছে তার প্রত্যাশা অনেক বেশি ছিলো যা পূরণ হয়নি। আর তাই তিনি হতাশ হয়ে সম্পর্কের প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছেন।
৬) আপনার সঙ্গী হয়তো আপনার সাথে প্রতারণা করছে। অন্য কোনো একটি সম্পর্কে জড়ানোর কারণে আপনাকে এড়িয়ে চলছেন আপনার সঙ্গী।
৭) ভালোবাসার অসমতার কারণেও আপনার মনে হতে পারে আপনার সঙ্গী আপনাকে এড়িয়ে চলছে। আপনি হয়তো আপনার সঙ্গীকে অনেক বেশি ভালোবাসেন। আর তাই আপনার কাছে সবসময়েই মনে হয় আপনার সঙ্গী আপনাকে কম ভালোবাসেন এবং আপনাকে এড়িয়ে চলেন।
৮) ভালোবাসা প্রকাশের ধরনটাও এক এক জনের ক্ষেত্রে এক এক রকম। আপনি ভালোবাসা প্রকাশ করতে পারলেও আপনার সঙ্গী হয়তো পারেন না। আর তাই আপনার কাছে মনে হয় আপনার সঙ্গী আপনাকে এড়িয়ে চলেন।
৯) ব্যস্ততা একটি বড় কারণ হতে পারে সম্পর্কের দূরত্ব সৃষ্টির ক্ষেত্রে। আপনার সঙ্গী হয়তো আসলেই অনেক বেশি ব্যস্ত নিজের ক্যারিয়ার বা পড়াশোনা নিয়ে। আর তাই আপনাকে আগের মত সময় দিতে পারছেন না।
১০) আপনার সাথে তার সম্পর্কের পেছনে হয়তো কোনো উদ্দেশ্য ছিলো। তার উদ্দেশ্য সফল হয়ে গেলে অথবা উদ্দেশ্য সফল করা সম্ভব না হলে আপনাকে এড়িয়ে চলতে পারে আপনার সঙ্গী।